বন্দরে ডকইয়ার্ডে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. আরিফ হোসেন (৫২) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার দেউলী বটতলা এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লুৎফর রহমান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট সকালে বন্দরের নবীগঞ্জ ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বক্তারকান্দী এলাকায় এস এ হাইড্রোলিক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস কোম্পানিতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইমান খানকে মারধর করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. ফায়েজ আহম্মেদ বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ১৭ আগস্ট উপজেলার আমিরাবাদ এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামি মো. হৃদয় (৩০) ও সুলতান মাহমুদ আপনকে (২৩) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. লুৎফর রহমান জানান, মামলা দায়েরের পর আরিফ হোসেনসহ অন্য আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেউলী বটতলা এলাকা থেকে আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তার আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
বন্দরে ডকইয়ার্ডে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. আরিফ হোসেন (৫২) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার দেউলী বটতলা এলাকা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লুৎফর রহমান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট সকালে বন্দরের নবীগঞ্জ ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বক্তারকান্দী এলাকায় এস এ হাইড্রোলিক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস কোম্পানিতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইমান খানকে মারধর করে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. ফায়েজ আহম্মেদ বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর গত ১৭ আগস্ট উপজেলার আমিরাবাদ এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত দুই আসামি মো. হৃদয় (৩০) ও সুলতান মাহমুদ আপনকে (২৩) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. লুৎফর রহমান জানান, মামলা দায়েরের পর আরিফ হোসেনসহ অন্য আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেউলী বটতলা এলাকা থেকে আরিফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তার আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন