ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের সেনকান্দা বাগবাজার এলাকায় কুমার নদ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মঙ্গলবার ওই এলাকায় নদীর তীরের কাছাকাছি থেকে বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীর তীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পাশের সড়ক ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেনকান্দা বাগবাজার এলাকায় কুমার নদে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর তীরসংলগ্ন স্থান থেকে বালু তোলার কারণে তীরের মাটি সরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী সড়কের স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ওই এলাকায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নদীর তীর ক্ষয় বা মাটি ধসে পড়লে বিদ্যালয়টির আশপাশের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চলাচলেও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এর আগেও একই স্থান থেকে কয়েক দিন নদীর বালু উত্তোলন করা হয়েছিল। পরে কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আবারও ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলার কাজ শুরু হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তাদের অভিযোগ, নদীর তীরের কাছাকাছি থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলন করা হলে তীরের স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহেও প্রভাব পড়তে পারে। বর্ষাকালে স্রোত বাড়লে তীরভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এ অবস্থায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বালু উত্তোলনের বৈধতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাদরুল আলমের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে জাহিদ নামে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগের সত্যতা ও বালু উত্তোলনের বৈধতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের সেনকান্দা বাগবাজার এলাকায় কুমার নদ থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, মঙ্গলবার ওই এলাকায় নদীর তীরের কাছাকাছি থেকে বালু তোলা হচ্ছে। এতে নদীর তীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পাশের সড়ক ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেনকান্দা বাগবাজার এলাকায় কুমার নদে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর তীরসংলগ্ন স্থান থেকে বালু তোলার কারণে তীরের মাটি সরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নদীর তীরবর্তী সড়কের স্থায়িত্ব নিয়েও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ওই এলাকায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, নদীর তীর ক্ষয় বা মাটি ধসে পড়লে বিদ্যালয়টির আশপাশের এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চলাচলেও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এর আগেও একই স্থান থেকে কয়েক দিন নদীর বালু উত্তোলন করা হয়েছিল। পরে কিছুদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আবারও ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলার কাজ শুরু হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তাদের অভিযোগ, নদীর তীরের কাছাকাছি থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলন করা হলে তীরের স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহেও প্রভাব পড়তে পারে। বর্ষাকালে স্রোত বাড়লে তীরভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। এ অবস্থায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বালু উত্তোলনের বৈধতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাদরুল আলমের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে জাহিদ নামে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগের সত্যতা ও বালু উত্তোলনের বৈধতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন