মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্কুল ড্রেস ও মিডডে মিল কর্মসূচি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশের সব উপজেলাকে মিডডে মিল কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাজে লাগানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। এ জন্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষাক্রমে আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ বাড়াতে আরও কিছু পরিবর্তনের কাজ চলছে জানিয়ে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শীর্ষক একটি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে প্রথম শ্রেণির কারিকুলামে ‘খেলাধুলা’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশীয় খেলাধুলার প্রসারের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের শুধু শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের মধ্যে শেখার আগ্রহ সৃষ্টি করতে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আরেক বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় খেলার মাঠ বাড়ানো এবং তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে সরকার কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকার একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং শেখার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্কুল ড্রেস ও মিডডে মিল কর্মসূচি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশের সব উপজেলাকে মিডডে মিল কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাজে লাগানোর উদ্যোগের কথাও জানান তিনি। এ জন্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষাক্রমে আনন্দের সঙ্গে শেখার সুযোগ বাড়াতে আরও কিছু পরিবর্তনের কাজ চলছে জানিয়ে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শীর্ষক একটি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে প্রথম শ্রেণির কারিকুলামে ‘খেলাধুলা’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশীয় খেলাধুলার প্রসারের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের শুধু শ্রেণিকক্ষকেন্দ্রিক শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের মধ্যে শেখার আগ্রহ সৃষ্টি করতে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আরেক বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় খেলার মাঠ বাড়ানো এবং তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে সরকার কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।

আপনার মতামত লিখুন