পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিএনপির দীর্ঘদিনের সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন রেদওয়ানুল হক প্রধান নামে এক নেতা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তিনি সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করে দলটিতে অন্তর্ভুক্ত হন।
রেদওয়ানুল হক প্রধান শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জামায়াতে যোগদানের কারণ হিসেবে তিনি দলটির আদর্শ ও স্বচ্ছতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল এবং দুর্নীতিমুক্ত রাজনৈতিক দল। তাদের আদর্শ ও কার্যক্রম আমার কাছে ভালো লেগেছে, তাই আমি স্বেচ্ছায় জামায়াতে যোগ দিয়েছি।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “রেদওয়ানুল হক বিএনপি করতেন এবং এক সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এটা সত্য। তবে দুই বছর আগেই তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি দলের সাধারণ কর্মী হিসেবেই ছিলেন।”
অনুষ্ঠানে রেদওয়ানুল হক প্রধানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ও সেক্রেটারি আনারুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন ও রাব্বি হোসেন, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ফরহাদ হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিএনপির দীর্ঘদিনের সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন রেদওয়ানুল হক প্রধান নামে এক নেতা। রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে তিনি সহযোগী সদস্য ফরম পূরণ করে দলটিতে অন্তর্ভুক্ত হন।
রেদওয়ানুল হক প্রধান শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জামায়াতে যোগদানের কারণ হিসেবে তিনি দলটির আদর্শ ও স্বচ্ছতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল এবং দুর্নীতিমুক্ত রাজনৈতিক দল। তাদের আদর্শ ও কার্যক্রম আমার কাছে ভালো লেগেছে, তাই আমি স্বেচ্ছায় জামায়াতে যোগ দিয়েছি।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে শালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “রেদওয়ানুল হক বিএনপি করতেন এবং এক সময় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এটা সত্য। তবে দুই বছর আগেই তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি দলের সাধারণ কর্মী হিসেবেই ছিলেন।”
অনুষ্ঠানে রেদওয়ানুল হক প্রধানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শালডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ও সেক্রেটারি আনারুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন ও রাব্বি হোসেন, ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ফরহাদ হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন