নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে হত্যা ও ডাকাতিসহ বহু মামলার আসামি চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাহেব আলীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। হামলাকারীদের ইট-পাটকেল ও রডের আঘাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. স্বপন এবং কনস্টেবল আবু হানিফ ও মনির হোসেন। তাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাহেব আলীর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে। তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হলেও তার বাহিনী বারবার হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এর আগেও তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাহেব আলীকে আটক করেছিল র্যাব-১১। সে সময়ও তার সহযোগীরা হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়, যাতে র্যাবের তিন সদস্য ও স্থানীয় এক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, “গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাহেব আলীকে ধরতে পুলিশের একটি দল ওয়াপদা কলোনি এলাকায় অভিযানে যায়। এ সময় আসামির অনুসারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হামলা চালায়।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, “পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। মূল আসামি সাহেব আলীকে গ্রেপ্তারে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে হত্যা ও ডাকাতিসহ বহু মামলার আসামি চিহ্নিত সন্ত্রাসী সাহেব আলীকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। হামলাকারীদের ইট-পাটকেল ও রডের আঘাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একজন সহকারী উপপরিদর্শকসহ (এএসআই) তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াপদা কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন—সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. স্বপন এবং কনস্টেবল আবু হানিফ ও মনির হোসেন। তাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাহেব আলীর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অন্তত ২০টি মামলা রয়েছে। তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হলেও তার বাহিনী বারবার হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এর আগেও তাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে র্যাব ও পুলিশের সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাহেব আলীকে আটক করেছিল র্যাব-১১। সে সময়ও তার সহযোগীরা হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়, যাতে র্যাবের তিন সদস্য ও স্থানীয় এক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, “গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাহেব আলীকে ধরতে পুলিশের একটি দল ওয়াপদা কলোনি এলাকায় অভিযানে যায়। এ সময় আসামির অনুসারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইট-পাটকেল ছোড়ে এবং লোহার রড দিয়ে আঘাত করে হামলা চালায়।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, “পুলিশের ওপর হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। মূল আসামি সাহেব আলীকে গ্রেপ্তারে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন