দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনে রাতভর রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৯ জন। একই সময়ে রাজধানী কিয়েভেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে একটি শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরের দিকে এসব হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিজিয়া অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইভান ফেদোরোভ জানান, রাতভর ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য বোমা দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে ছয়জন নিহত ও অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
হামলার পর বেশ কয়েকটি ভবন ও যানবাহনে আগুন ধরে যায়। পাশাপাশি জাপোরিজিয়ার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়।
অন্যদিকে, কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শেভচেনকিভস্কি জেলার একটি শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, হামলার পর একটি গুদামেও আগুন ধরে যায়। এতে একজন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইকোলাইভেও রুশ ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৭৫ বছর বয়সী এক নারী আহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতভর চালানো হামলায় কিয়েভ ও জাপোরিজিয়ার সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কারখানা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং লজিস্টিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এদিকে, পাল্টা জবাব হিসেবে রাশিয়ার ভূখণ্ডেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার গুসেভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। ধ্বংস হওয়া ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি গুদামে আগুন ধরে যায়।
গুসেভ ক্ষতিগ্রস্ত গুদামটির নাম প্রকাশ না করলেও রাশিয়ার জনপ্রিয় অনলাইন রিটেইলার ওয়াইল্ডবেরিজ জানিয়েছে, হামলার পর ভোরোনেজে তাদের একটি লজিস্টিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়।
রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, ভোরোনেজ শহর ও আশপাশের পাঁচ জেলা থেকে মোট ১৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলা বাড়ার পর ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রাও বেড়েছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়, বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দক্ষিণ-পূর্ব ইউক্রেনে রাতভর রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৯ জন। একই সময়ে রাজধানী কিয়েভেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে একটি শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরের দিকে এসব হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিজিয়া অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইভান ফেদোরোভ জানান, রাতভর ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য বোমা দিয়ে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে ছয়জন নিহত ও অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
হামলার পর বেশ কয়েকটি ভবন ও যানবাহনে আগুন ধরে যায়। পাশাপাশি জাপোরিজিয়ার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়।
অন্যদিকে, কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শেভচেনকিভস্কি জেলার একটি শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, হামলার পর একটি গুদামেও আগুন ধরে যায়। এতে একজন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মাইকোলাইভেও রুশ ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় ৭৫ বছর বয়সী এক নারী আহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতভর চালানো হামলায় কিয়েভ ও জাপোরিজিয়ার সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কারখানা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং লজিস্টিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এদিকে, পাল্টা জবাব হিসেবে রাশিয়ার ভূখণ্ডেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রাশিয়ার ভোরোনেজ অঞ্চলের গভর্নর আলেকজান্ডার গুসেভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। ধ্বংস হওয়া ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি গুদামে আগুন ধরে যায়।
গুসেভ ক্ষতিগ্রস্ত গুদামটির নাম প্রকাশ না করলেও রাশিয়ার জনপ্রিয় অনলাইন রিটেইলার ওয়াইল্ডবেরিজ জানিয়েছে, হামলার পর ভোরোনেজে তাদের একটি লজিস্টিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়।
রুশ কর্মকর্তাদের দাবি, ভোরোনেজ শহর ও আশপাশের পাঁচ জেলা থেকে মোট ১৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলা বাড়ার পর ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রাও বেড়েছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায়, বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন