ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখযোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এই হত্যাকাণ্ডের একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “মহাসচিব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতি রেখে এই হত্যাকাণ্ডের একটি দ্রুত, নিরপেক্ষ, পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।” ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও সহিংসতা থেকে বিরত থাকার অনুরোধও জানান মহাসচিব।
একই ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। জেনেভা থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ওসমান হাদির মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসা কেবল বিভাজন আরও বাড়াবে এবং সবার অধিকার ক্ষুণ্ন করবে।”
ভলকার তুর্ক আরও উল্লেখ করেন, হাদির মৃত্যুর পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের সময় গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এবং ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত করা এখন সময়ের দাবি। মানবাধিকার রক্ষা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে তার কার্যালয় বাংলাদেশ সরকারকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ওসমান হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ শনিবার তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে দাফন করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখযোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এই হত্যাকাণ্ডের একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “মহাসচিব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সংগতি রেখে এই হত্যাকাণ্ডের একটি দ্রুত, নিরপেক্ষ, পুঙ্খানুপুঙ্খ এবং স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।” ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও সহিংসতা থেকে বিরত থাকার অনুরোধও জানান মহাসচিব।
একই ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। জেনেভা থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ওসমান হাদির মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসা কেবল বিভাজন আরও বাড়াবে এবং সবার অধিকার ক্ষুণ্ন করবে।”
ভলকার তুর্ক আরও উল্লেখ করেন, হাদির মৃত্যুর পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের সময় গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা ও সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া এবং ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত করা এখন সময়ের দাবি। মানবাধিকার রক্ষা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে তার কার্যালয় বাংলাদেশ সরকারকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ওসমান হাদি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ শনিবার তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে দাফন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন