২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে, ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
এবার বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ এবং যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে এবার ফল প্রকাশে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লেগেছে। এর আগে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অনিবার্য কারণে ওই সময়ে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত সোমবার ফল প্রকাশ করা হয়।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির জন্য ফরম পূরণ করেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। দাখিল পরীক্ষার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ফরম পূরণ করেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার জন্য কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফরম পূরণ করেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পাসের হার ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে, ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
এবার বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ এবং যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
সাধারণত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে এবার ফল প্রকাশে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লেগেছে। এর আগে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে অনিবার্য কারণে ওই সময়ে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত সোমবার ফল প্রকাশ করা হয়।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
সারা দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন।
এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিলেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির জন্য ফরম পূরণ করেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। দাখিল পরীক্ষার জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ফরম পূরণ করেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। আর এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার জন্য কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফরম পূরণ করেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

আপনার মতামত লিখুন