আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, বৈষম্য দূরীকরণ এবং বিভিন্ন অপরাধের বিচারসহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, "আমরা আজ এখানে শুধু বক্তৃতা দিতে আসিনি। জনগণের ১১ দফা দাবি মানুষের হাতে তুলে দিতে এসেছি। এই দাবিগুলো কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির স্বার্থে নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার ও ন্যায্য দাবি।"
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকট, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং জনভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হলে আন্দোলন আরও জোরালোভাবে গন্তব্যে পৌঁছাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে রেলযাত্রা এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ আয়োজনের ঘোষণাও দেওয়া হয়।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, সচিবালয় জনগণের সম্পদ। সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জনগণের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে শুনে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় তিনি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধান, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে ১১-দলীয় ঐক্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, বৈষম্য দূরীকরণ এবং বিভিন্ন অপরাধের বিচারসহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে আয়োজিত ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, "আমরা আজ এখানে শুধু বক্তৃতা দিতে আসিনি। জনগণের ১১ দফা দাবি মানুষের হাতে তুলে দিতে এসেছি। এই দাবিগুলো কোনো দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির স্বার্থে নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার ও ন্যায্য দাবি।"
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকট, নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং জনভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হলে আন্দোলন আরও জোরালোভাবে গন্তব্যে পৌঁছাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ ছাড়া ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেট অভিমুখে রেলযাত্রা এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ আয়োজনের ঘোষণাও দেওয়া হয়।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, সচিবালয় জনগণের সম্পদ। সেখানে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জনগণের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে শুনে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় তিনি গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দ্রুত সমাধান, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এলপিজির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করা হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে ১১-দলীয় ঐক্য।

আপনার মতামত লিখুন