নীলফামারীর ডিমলায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় জোট।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জোটের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিজয় চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত 'জুলাই জাতীয় সনদ' কার্যকর এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি শিবির, ছাত্রশক্তি, ইনকিলাব মঞ্চ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন, চাঁদাবাজি এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্নের ঘটনা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় জোট।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জোটের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিজয় চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দ্রুত 'জুলাই জাতীয় সনদ' কার্যকর এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি শিবির, ছাত্রশক্তি, ইনকিলাব মঞ্চ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারা জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন, চাঁদাবাজি এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্নের ঘটনা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন