ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় প্রায় ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চালের একটি সম্পূর্ণ চালান ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানির মজুত থেকে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে চালগুলো বাংলাদেশে আনা হয়। চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রাথমিক পরীক্ষায় তা খাওয়ার উপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র পেলেও, পরবর্তী বিস্তারিত পরীক্ষায় চালের মান নির্ধারিত মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম পাওয়া যায়।
এ অবস্থায় চালানের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন খালাস করা হলেও অবশিষ্ট অংশ নিয়ে আপত্তি ওঠে। পরে পুরো চালানটি গ্রহণ না করে ভারতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ঘটনায় শুধু চালের গুণগত মানই নয়, বাংলাদেশের খাদ্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ যাচাই-বাছাই ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও আলোচনায় এসেছে। তাদের ধারণা, প্রক্রিয়াগত জটিলতা বা সিদ্ধান্তহীনতার কারণেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিষ্পত্তি না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় খাদ্যপণ্য বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও কঠোর হওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় প্রায় ১১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সেদ্ধ চালের একটি সম্পূর্ণ চালান ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ।
জানা গেছে, আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানির মজুত থেকে ভারতীয় রপ্তানিকারকদের মাধ্যমে চালগুলো বাংলাদেশে আনা হয়। চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর প্রাথমিক পরীক্ষায় তা খাওয়ার উপযোগী হিসেবে ছাড়পত্র পেলেও, পরবর্তী বিস্তারিত পরীক্ষায় চালের মান নির্ধারিত মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম পাওয়া যায়।
এ অবস্থায় চালানের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন খালাস করা হলেও অবশিষ্ট অংশ নিয়ে আপত্তি ওঠে। পরে পুরো চালানটি গ্রহণ না করে ভারতে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাণিজ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ঘটনায় শুধু চালের গুণগত মানই নয়, বাংলাদেশের খাদ্য অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ যাচাই-বাছাই ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও আলোচনায় এসেছে। তাদের ধারণা, প্রক্রিয়াগত জটিলতা বা সিদ্ধান্তহীনতার কারণেও এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে নিষ্পত্তি না হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় খাদ্যপণ্য বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও কঠোর হওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।
সূত্র: দ্য হিন্দু

আপনার মতামত লিখুন