অস্ট্রেলিয়ায় মেডিকেল মূল্যায়ন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। সোমবার দেশে ফেরার পর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি অন্তত এক সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন। এরপর শুরু হবে গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইন থেকে সেরে ওঠার পুনর্বাসন (রিহ্যাব) প্রক্রিয়া। তবে সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলেও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েক সপ্তাহ।
গত ১৭ জুলাই ইনজুরিতে পড়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যান ২২ বছর বয়সী এই গতিদানব। সাইড স্ট্রেইনের পাশাপাশি তার শিন বোনেও কিছুটা অস্বস্তি থাকায় আলাদা করে স্ক্যান করা হয়েছিল। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শিন বোনে বড় ধরনের কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি এবং সেটি এখন স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।
বিসিবির মেডিকেল বিভাগের একটি সূত্র জানায়, আপাতত নাহিদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত বিশ্রাম। এক সপ্তাহ পর আবারও তার শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করা হবে। এরপর শুরু হবে পুনর্বাসনের মূল ধাপ।
চিকিৎসকদের মতে, সাইড স্ট্রেইনের মতো চোট পুরোপুরি সারতে সাধারণত প্রায় আট সপ্তাহ সময় লাগে। প্রথম ছয় সপ্তাহে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু স্বাভাবিকভাবে নিরাময় হয়। এরপর ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে টিস্যুর নমনীয়তা ও স্থিতিস্থাপকতা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়। ব্যথা পুরোপুরি কমে গেলে ধাপে ধাপে শক্তি বাড়ানোর অনুশীলন এবং পরে সীমিত পরিসরে বোলিং শুরু করা হয়।
শতভাগ তীব্রতায় বোলিং করতে সক্ষম হওয়ার পরই তার ওয়ার্কলোড মূল্যায়ন করবেন বোলিং কোচ, ফিটনেস কোচ ও ফিজিও। নির্ধারিত বোলিং ওয়ার্কলোড সফলভাবে শেষ না করা পর্যন্ত তাকে মাঠে ফেরার অনুমতি দেবে না বিসিবির মেডিকেল বিভাগ।
নাহিদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী তার শৈশবের বোলিং কোচ আলমগীর কবির। তার বিশ্বাস, সঠিকভাবে রিহ্যাব সম্পন্ন করতে পারলে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই নাহিদ ভালো অবস্থায় পৌঁছে যাবেন এবং ধীরে ধীরে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
অন্যদিকে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের পুনর্বাসনও ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। গত ২৯ জুলাই থেকে তিনি বোলিং ওয়ার্কলোড শুরু করেছেন। আগামী ১২ আগস্ট ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে ২২ আগস্ট শুরু হওয়া দ্বিতীয় টেস্টের দলে তাকে বিবেচনা করা হতে পারে।
এর আগে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছিলেন, শরিফুলের পুনর্বাসনের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তবে একজন পেসার হওয়ায় তাকে ফিটনেস ফিরে পেতে কিছুটা বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তবুও দ্বিতীয় টেস্টে তাকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ায় মেডিকেল মূল্যায়ন শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা। সোমবার দেশে ফেরার পর চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি অন্তত এক সপ্তাহ পূর্ণ বিশ্রামে থাকবেন। এরপর শুরু হবে গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেইন থেকে সেরে ওঠার পুনর্বাসন (রিহ্যাব) প্রক্রিয়া। তবে সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলেও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে তাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েক সপ্তাহ।
গত ১৭ জুলাই ইনজুরিতে পড়ায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে যান ২২ বছর বয়সী এই গতিদানব। সাইড স্ট্রেইনের পাশাপাশি তার শিন বোনেও কিছুটা অস্বস্তি থাকায় আলাদা করে স্ক্যান করা হয়েছিল। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শিন বোনে বড় ধরনের কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি এবং সেটি এখন স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।
বিসিবির মেডিকেল বিভাগের একটি সূত্র জানায়, আপাতত নাহিদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত বিশ্রাম। এক সপ্তাহ পর আবারও তার শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করা হবে। এরপর শুরু হবে পুনর্বাসনের মূল ধাপ।
চিকিৎসকদের মতে, সাইড স্ট্রেইনের মতো চোট পুরোপুরি সারতে সাধারণত প্রায় আট সপ্তাহ সময় লাগে। প্রথম ছয় সপ্তাহে ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু স্বাভাবিকভাবে নিরাময় হয়। এরপর ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে টিস্যুর নমনীয়তা ও স্থিতিস্থাপকতা ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়। ব্যথা পুরোপুরি কমে গেলে ধাপে ধাপে শক্তি বাড়ানোর অনুশীলন এবং পরে সীমিত পরিসরে বোলিং শুরু করা হয়।
শতভাগ তীব্রতায় বোলিং করতে সক্ষম হওয়ার পরই তার ওয়ার্কলোড মূল্যায়ন করবেন বোলিং কোচ, ফিটনেস কোচ ও ফিজিও। নির্ধারিত বোলিং ওয়ার্কলোড সফলভাবে শেষ না করা পর্যন্ত তাকে মাঠে ফেরার অনুমতি দেবে না বিসিবির মেডিকেল বিভাগ।
নাহিদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী তার শৈশবের বোলিং কোচ আলমগীর কবির। তার বিশ্বাস, সঠিকভাবে রিহ্যাব সম্পন্ন করতে পারলে আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই নাহিদ ভালো অবস্থায় পৌঁছে যাবেন এবং ধীরে ধীরে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
অন্যদিকে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামের পুনর্বাসনও ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। গত ২৯ জুলাই থেকে তিনি বোলিং ওয়ার্কলোড শুরু করেছেন। আগামী ১২ আগস্ট ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে ২২ আগস্ট শুরু হওয়া দ্বিতীয় টেস্টের দলে তাকে বিবেচনা করা হতে পারে।
এর আগে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছিলেন, শরিফুলের পুনর্বাসনের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তবে একজন পেসার হওয়ায় তাকে ফিটনেস ফিরে পেতে কিছুটা বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তবুও দ্বিতীয় টেস্টে তাকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী টিম ম্যানেজমেন্ট।

আপনার মতামত লিখুন