যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির প্রভাব বাংলাদেশি ভ্রমণপিপাসু ও ব্যবসায়ীদের ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (বন্ড) জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
যদিও ঘোষিত তালিকায় অধিকাংশ দেশ আফ্রিকা অঞ্চলের, তবুও অতীতে ভিসা নীতির কড়াকড়ির ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকরাও একই ধরনের প্রভাবের মুখে পড়েছেন। ফলে ভবিষ্যতে এই নীতির পরিধি আরও বিস্তৃত হলে বাংলাদেশও এর আওতায় আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মূলত ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান বা ওভারস্টে ঠেকাতে এই ধরনের বন্ডভিত্তিক নীতি নেওয়া হচ্ছে। তবে অভিবাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে প্রকৃত ব্যবসায়ী, পর্যটক ও বৈধ ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, উচ্চ অঙ্কের জামানত ও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কারণে বাংলাদেশের মতো দেশের অনেক বৈধ আবেদনকারী আর্থিক ও প্রশাসনিক চাপে পড়বেন। এতে ব্যবসায়িক সফর, পর্যটন এবং পারিবারিক ভ্রমণও নিরুৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বৈধ ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রমুখী আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির প্রভাব বাংলাদেশি ভ্রমণপিপাসু ও ব্যবসায়ীদের ওপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য বি-১ (ব্যবসা) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (বন্ড) জমা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
যদিও ঘোষিত তালিকায় অধিকাংশ দেশ আফ্রিকা অঞ্চলের, তবুও অতীতে ভিসা নীতির কড়াকড়ির ক্ষেত্রে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকরাও একই ধরনের প্রভাবের মুখে পড়েছেন। ফলে ভবিষ্যতে এই নীতির পরিধি আরও বিস্তৃত হলে বাংলাদেশও এর আওতায় আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মূলত ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থান বা ওভারস্টে ঠেকাতে এই ধরনের বন্ডভিত্তিক নীতি নেওয়া হচ্ছে। তবে অভিবাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, এতে প্রকৃত ব্যবসায়ী, পর্যটক ও বৈধ ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, উচ্চ অঙ্কের জামানত ও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কারণে বাংলাদেশের মতো দেশের অনেক বৈধ আবেদনকারী আর্থিক ও প্রশাসনিক চাপে পড়বেন। এতে ব্যবসায়িক সফর, পর্যটন এবং পারিবারিক ভ্রমণও নিরুৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বৈধ ভ্রমণকারীদের যুক্তরাষ্ট্রমুখী আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন