বগুড়ার শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জানে আলম খোকা তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা না হলে তিনি “তৃণমূল বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজের পথ বেছে নেবেন।”
রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শেরপুর পৌরশহরের সকাল বাজার এলাকার শহীদ গাজীউর রহমান কমিউনিটি সেন্টারে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন। কুসুম্বি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শেরপুর ও ধুনট উপজেলার কয়েকশ' তৃণমূল নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানে আলম খোকা বলেন, ২০২১ সালের শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়ায় তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তিনি জানান, এরপর বহুবার তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং স্থানীয় পর্যায়েও কর্মী-সমর্থকদের সামনে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
তাঁর অভিযোগ, "দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করেও বহু নেতার বহিষ্কারাদেশ আগেই তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে দূরে রাখা হলেও আমি আদর্শচ্যুত হইনি। তৃণমূলের আন্দোলন, সংগঠনের কাজে, এমনকি সাম্প্রতিক ২৪ শে গণঅভ্যুত্থানেও আমি নেতৃত্ব দিয়েছি।"
খোকা দাবি করেন, শেরপুর ও ধুনটের তৃণমূল বিএনপির মূল শক্তি এখনো তাঁকে ঘিরেই সক্রিয় রয়েছে। সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরাও তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে জোরালো বক্তব্য দেন।
ধুনটের গোপালনগর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ বলেন, "খোকা সাহেব কোনোদিন বিএনপির বিপক্ষে কথা বলেননি। তৃণমূল এখনো তাঁকে নেতৃত্বে দেখতে চায়।"
শেরপুর শহর যুবদলের সাবেক নেতা আশেক মাহমুদ বলেন, "বগুড়া-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়ী করতে হলে জানে আলম খোকার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার জরুরি।"
ধুনটের নিমগাছি ইউনিয়নের শাহাদত হোসেন বলেন, "খোকার নেতৃত্বে তৃণমূল বিএনপি এখনো সুসংগঠিত।"
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শেরপুর পৌর বিএনপির সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান, বগুড়া জেলা বাস–মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমানসহ পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫
বগুড়ার শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জানে আলম খোকা তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রতি চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা না হলে তিনি “তৃণমূল বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিজের পথ বেছে নেবেন।”
রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শেরপুর পৌরশহরের সকাল বাজার এলাকার শহীদ গাজীউর রহমান কমিউনিটি সেন্টারে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন। কুসুম্বি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শেরপুর ও ধুনট উপজেলার কয়েকশ' তৃণমূল নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানে আলম খোকা বলেন, ২০২১ সালের শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হওয়ায় তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তিনি জানান, এরপর বহুবার তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং স্থানীয় পর্যায়েও কর্মী-সমর্থকদের সামনে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
তাঁর অভিযোগ, "দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে নির্বাচন করেও বহু নেতার বহিষ্কারাদেশ আগেই তুলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে দূরে রাখা হলেও আমি আদর্শচ্যুত হইনি। তৃণমূলের আন্দোলন, সংগঠনের কাজে, এমনকি সাম্প্রতিক ২৪ শে গণঅভ্যুত্থানেও আমি নেতৃত্ব দিয়েছি।"
খোকা দাবি করেন, শেরপুর ও ধুনটের তৃণমূল বিএনপির মূল শক্তি এখনো তাঁকে ঘিরেই সক্রিয় রয়েছে। সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীরাও তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে জোরালো বক্তব্য দেন।
ধুনটের গোপালনগর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ বলেন, "খোকা সাহেব কোনোদিন বিএনপির বিপক্ষে কথা বলেননি। তৃণমূল এখনো তাঁকে নেতৃত্বে দেখতে চায়।"
শেরপুর শহর যুবদলের সাবেক নেতা আশেক মাহমুদ বলেন, "বগুড়া-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে জয়ী করতে হলে জানে আলম খোকার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার জরুরি।"
ধুনটের নিমগাছি ইউনিয়নের শাহাদত হোসেন বলেন, "খোকার নেতৃত্বে তৃণমূল বিএনপি এখনো সুসংগঠিত।"
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শেরপুর পৌর বিএনপির সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান, বগুড়া জেলা বাস–মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমানসহ পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন