বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মানব পাচারের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান রূপ হিসেবে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণার বিষয়টি তুলে ধরেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব। তিনি বলেছেন, সম্মানজনক চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের ফাঁদে ফেলা হচ্ছে এবং পরে তাদের দিয়ে অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করানো হচ্ছে।
৩০ জুলাই উপলক্ষে প্রকাশিত এ বার্তায় মহাসচিব বলেন, এ ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র বিপুল পরিমাণ অবৈধ মুনাফা অর্জন করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতারকদের কার্যক্রম আরও দ্রুত বিস্তারে সহায়তা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এই ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় গোয়েন্দা সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রকদের সমন্বয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রয়োজন। এর মাধ্যমে অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা এবং তাদের অর্থায়নের উৎস বন্ধ করা সম্ভব হবে।
মহাসচিব স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ‘সাইবার অপরাধ বিরোধী জাতিসংঘ সনদ’ গ্রহণ করেছে। তিনি বিশ্বের সব সরকারকে দ্রুত এ সনদ অনুমোদনের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে তাদের প্ল্যাটফর্মে অপরাধমূলক অপব্যবহার রোধে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতারণা চক্রের ভুক্তভোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের পুনর্বাসনে সহায়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
বার্তার শেষাংশে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, মানব পাচার তার সব রূপেই মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই শোষণ চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মানব পাচারের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান রূপ হিসেবে জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণার বিষয়টি তুলে ধরেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব। তিনি বলেছেন, সম্মানজনক চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের ফাঁদে ফেলা হচ্ছে এবং পরে তাদের দিয়ে অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করানো হচ্ছে।
৩০ জুলাই উপলক্ষে প্রকাশিত এ বার্তায় মহাসচিব বলেন, এ ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে লাখো মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র বিপুল পরিমাণ অবৈধ মুনাফা অর্জন করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতারকদের কার্যক্রম আরও দ্রুত বিস্তারে সহায়তা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এই ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় গোয়েন্দা সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রকদের সমন্বয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক উদ্যোগ প্রয়োজন। এর মাধ্যমে অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা এবং তাদের অর্থায়নের উৎস বন্ধ করা সম্ভব হবে।
মহাসচিব স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ‘সাইবার অপরাধ বিরোধী জাতিসংঘ সনদ’ গ্রহণ করেছে। তিনি বিশ্বের সব সরকারকে দ্রুত এ সনদ অনুমোদনের আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে তাদের প্ল্যাটফর্মে অপরাধমূলক অপব্যবহার রোধে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রতারণা চক্রের ভুক্তভোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং তাদের পুনর্বাসনে সহায়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
বার্তার শেষাংশে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, মানব পাচার তার সব রূপেই মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। সম্মিলিত আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই শোষণ চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন