ইসরাইল লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তি সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধাবস্থা নিরসনে যেকোনো সমঝোতার পূর্বশর্ত হলো লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলের আগ্রাসন সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে বন্ধ করা।
খামেনির ভাষ্য, ইরান এমন কোনো চুক্তিতে যাবে না, যেখানে লেবাননের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি উপেক্ষিত থাকবে। তিনি বলেন, ইসরাইলের হামলা বন্ধ হওয়াই তেহরানের প্রধান দাবি।
পৃথক পোস্টে তিনি লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ, সংগঠনটির সাবেক নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এবং দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের প্রতিও সমর্থন জানান। খামেনি বলেন, নিপীড়নের মুখে থাকা হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের রক্ষা করাকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তার কৌশলগত দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলা কমিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা পুনরায় শুরু হওয়ার আলোচনা চলার মধ্যেই খামেনির এই বক্তব্য নতুন করে তাৎপর্য তৈরি করেছে।
তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যেকোনো উদ্যোগের আগে ইসরাইলকে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারাতেও এই শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে ইরান দাবি করে।
তবে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে মতবিরোধের কারণে সেই সমঝোতা পরে ভেঙে যায়।
সূত্র: আল জাজিরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
ইসরাইল লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ না করা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তি সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধাবস্থা নিরসনে যেকোনো সমঝোতার পূর্বশর্ত হলো লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলের আগ্রাসন সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে বন্ধ করা।
খামেনির ভাষ্য, ইরান এমন কোনো চুক্তিতে যাবে না, যেখানে লেবাননের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়টি উপেক্ষিত থাকবে। তিনি বলেন, ইসরাইলের হামলা বন্ধ হওয়াই তেহরানের প্রধান দাবি।
পৃথক পোস্টে তিনি লেবাননের প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ, সংগঠনটির সাবেক নেতা হাসান নাসরুল্লাহ এবং দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দাদের প্রতিও সমর্থন জানান। খামেনি বলেন, নিপীড়নের মুখে থাকা হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের রক্ষা করাকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান তার কৌশলগত দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলা কমিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা পুনরায় শুরু হওয়ার আলোচনা চলার মধ্যেই খামেনির এই বক্তব্য নতুন করে তাৎপর্য তৈরি করেছে।
তেহরান দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যেকোনো উদ্যোগের আগে ইসরাইলকে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারাতেও এই শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে ইরান দাবি করে।
তবে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে মতবিরোধের কারণে সেই সমঝোতা পরে ভেঙে যায়।
সূত্র: আল জাজিরা।

আপনার মতামত লিখুন