গাইবান্ধা কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা তারিক রিফাত (৫৫)-এর মৃত্যু হয়েছে। তিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেলের দিকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে তাঁর মৃত্যু হয়।
তারিক রিফাত উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের প্রভুরামপুর এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের বিএসসির ছেলে। জীবদ্দশায় তিনি ২০১৭ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক এবং ২০২৪ সালে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষি হিসেবে পুরস্কার পান। এছাড়া তিনি ২০২১ সালে রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলা কারা সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে তারিক রিফাত অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার অভিযোগ করেছে, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান জানান, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই বছর পর দায়ের করা মামলায় গত ১৭ অক্টোবর পুলিশ তাঁকে এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে গ্রেফতার করে। কয়েক বছর আগে হার্টে রিং পরানোর কারণে গ্রেফতারের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বগুড়া ও রংপুরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পুলিশের জিম্মায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫
গাইবান্ধা কারাগারে আওয়ামী লীগ নেতা তারিক রিফাত (৫৫)-এর মৃত্যু হয়েছে। তিনি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেলের দিকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে তাঁর মৃত্যু হয়।
তারিক রিফাত উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের প্রভুরামপুর এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহের বিএসসির ছেলে। জীবদ্দশায় তিনি ২০১৭ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক এবং ২০২৪ সালে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষি হিসেবে পুরস্কার পান। এছাড়া তিনি ২০২১ সালে রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলা কারা সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে তারিক রিফাত অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার অভিযোগ করেছে, পরিকল্পিতভাবে তাঁকে একের পর এক মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছিল। অন্যদিকে কারা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা কারাগারের জেলার আতিকুর রহমান জানান, ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই বছর পর দায়ের করা মামলায় গত ১৭ অক্টোবর পুলিশ তাঁকে এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে গ্রেফতার করে। কয়েক বছর আগে হার্টে রিং পরানোর কারণে গ্রেফতারের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে বগুড়া ও রংপুরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পুলিশের জিম্মায় চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন