ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আন্দোলনের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন।
পোস্টে অভিজিৎ জানান, গত কয়েকদিন ধরে তিনি তীব্র জ্বর ও শরীর ব্যথায় ভুগছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। তাই কয়েক ঘণ্টার জন্য বিশ্রাম নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, "আজ যন্তর মন্তরে আমার সঙ্গে দেখা না হলে আমি দুঃখিত। সুস্থ হওয়ার জন্য কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে সন্ধ্যার মধ্যেই প্রতিবাদস্থলে ফিরে আসব।"
অসুস্থতার মধ্যেও আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি অভিজিৎ দীপকে। তিনি ও অন্যান্য বিক্ষোভকারী কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অনড় রয়েছেন।
এর আগে বুধবার রাতে দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। তবে দিল্লি পুলিশের দাবি, পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে অগ্রসর হওয়া বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোতল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও নৃশংস আচরণের অভিযোগ তুলেছেন অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আন্দোলনের মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন।
পোস্টে অভিজিৎ জানান, গত কয়েকদিন ধরে তিনি তীব্র জ্বর ও শরীর ব্যথায় ভুগছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। তাই কয়েক ঘণ্টার জন্য বিশ্রাম নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, "আজ যন্তর মন্তরে আমার সঙ্গে দেখা না হলে আমি দুঃখিত। সুস্থ হওয়ার জন্য কয়েক ঘণ্টা বিশ্রাম প্রয়োজন। তবে সন্ধ্যার মধ্যেই প্রতিবাদস্থলে ফিরে আসব।"
অসুস্থতার মধ্যেও আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি অভিজিৎ দীপকে। তিনি ও অন্যান্য বিক্ষোভকারী কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অনড় রয়েছেন।
এর আগে বুধবার রাতে দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। তবে দিল্লি পুলিশের দাবি, পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে অগ্রসর হওয়া বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোতল নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও নৃশংস আচরণের অভিযোগ তুলেছেন অভিজিৎ দীপকে। বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন