নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত ছয় বছরে উদ্ধার ও মাদককারবারীদের কাছ থেকে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল প্রকাশ্যে ধ্বংস করেছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে রোলার মেশিনের মাধ্যমে ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেন্সিডিল ধ্বংস করা হয়। এ সময় সেখানে বিচার বিভাগ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান জানান, ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১৫১টি মামলার আলামত হিসেবে মোট ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘদিন মালখানায় সংরক্ষিত এসব মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতিতে রোলার মেশিন দিয়ে ফেন্সিডিলগুলো ধ্বংস করা হয়। পুরো কার্যক্রমে জেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল নিরাপত্তা ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, মাদকের অপব্যবহার রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গত ছয় বছরে উদ্ধার ও মাদককারবারীদের কাছ থেকে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল প্রকাশ্যে ধ্বংস করেছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে রোলার মেশিনের মাধ্যমে ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেন্সিডিল ধ্বংস করা হয়। এ সময় সেখানে বিচার বিভাগ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মনিরুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ভারপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট (মালখানা) আরেফিন রহমান জানান, ২০১৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ১৫১টি মামলার আলামত হিসেবে মোট ১৬ হাজার ৬১ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়। মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দীর্ঘদিন মালখানায় সংরক্ষিত এসব মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উপস্থিতিতে রোলার মেশিন দিয়ে ফেন্সিডিলগুলো ধ্বংস করা হয়। পুরো কার্যক্রমে জেলা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল নিরাপত্তা ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, মাদকের অপব্যবহার রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন