ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

চেক জালিয়াতি মামলায় আবার কারাগারে সাহেদ


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৬

চেক জালিয়াতি মামলায় আবার কারাগারে সাহেদ
ছবি: সংগৃহীত

মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। করোনা মহামারির সময় ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ ও নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে দেওয়া সাজা কার্যকরের অংশ হিসেবে সোমবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক সাদিক আহম্মেদের আদালত এ আদেশ দেন।

সাহেদের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন জানান, মামলাটি দায়ের হওয়ার সময় সাহেদ প্রায় সাড়ে চার বছর কারাগারে ছিলেন। সে সময় এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি। পরে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নেন সাহেদ। ঋণের নিরাপত্তা হিসেবে একই পরিমাণ অর্থের একটি চেক ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংক চেকটি নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করলে তা ডিজঅনার হয়।

এ ঘটনায় ব্যাংকের পক্ষ থেকে নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত সাহেদকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এর আগে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পল্লবী থানার একটি মামলার চাহিদার ভিত্তিতে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।



এস.আর 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


চেক জালিয়াতি মামলায় আবার কারাগারে সাহেদ

প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬

featured Image

মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। করোনা মহামারির সময় ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ ও নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে দেওয়া সাজা কার্যকরের অংশ হিসেবে সোমবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৫-এর বিচারক সাদিক আহম্মেদের আদালত এ আদেশ দেন।

সাহেদের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন জানান, মামলাটি দায়ের হওয়ার সময় সাহেদ প্রায় সাড়ে চার বছর কারাগারে ছিলেন। সে সময় এ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়নি। পরে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ নেন সাহেদ। ঋণের নিরাপত্তা হিসেবে একই পরিমাণ অর্থের একটি চেক ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ না করায় ব্যাংক চেকটি নগদায়নের জন্য উপস্থাপন করলে তা ডিজঅনার হয়।

এ ঘটনায় ব্যাংকের পক্ষ থেকে নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ৪ মে আদালত সাহেদকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এর আগে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে পল্লবী থানার একটি মামলার চাহিদার ভিত্তিতে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।



এস.আর 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ