এক নারীর সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক ব্যক্তিগত যোগাযোগকে কেন্দ্র করে ওঠা বিতর্কের জেরে পদত্যাগ করেছেন সিঙ্গাপুরের মুসলিম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ফয়সাল ইব্রাহিম। অভিযোগ স্বীকার করার পর সোমবার (২০ জুলাই) দেশটির প্রধানমন্ত্রী লরেন্স উওং এক বিবৃতিতে তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে বলা হয়, ফয়সাল ও ওই নারীর মধ্যে অধিকাংশ যোগাযোগই অনলাইনে হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তারা কয়েকবার সরাসরি সাক্ষাৎও করেন।
পরবর্তীতে উভয়েই একে অপরের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পুলিশ তদন্ত শেষে জানিয়েছে, এ ঘটনায় ফয়সাল ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক আচরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
তবে প্রধানমন্ত্রী লরেন্স উওং বলেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তির এমন ধরনের ব্যক্তিগত যোগাযোগ তার পদমর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটি অবশ্যই জনমনে প্রশ্ন তৈরি করে। সেই বিবেচনায় ফয়সালের পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছাড়ার পাশাপাশি ক্ষমতাসীন পিপলস অ্যাকশন পার্টি (পিএপি) থেকেও পদত্যাগ করেছেন ফয়সাল ইব্রাহিম। ২০০৬ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ফয়সাল ২০২৫ সালে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
উল্লেখ্য, ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৬৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার ক্ষমতায় আসে পিপলস অ্যাকশন পার্টি। এরপর থেকে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা ক্ষমতায় রয়েছে দলটি। নিজেদের স্বচ্ছতার জন্য পরিচিত এই দলটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক বিতর্কের মুখে পড়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে দুর্নীতি ও একজন আইনপ্রণেতার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে তৎকালীন পরিবহনমন্ত্রী এস. ঈশ্বরণ দোষী সাব্যস্ত হন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
সূত্র: এএফপি, ফার্স্টপোস্ট

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
এক নারীর সঙ্গে অনলাইনভিত্তিক ব্যক্তিগত যোগাযোগকে কেন্দ্র করে ওঠা বিতর্কের জেরে পদত্যাগ করেছেন সিঙ্গাপুরের মুসলিম অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ফয়সাল ইব্রাহিম। অভিযোগ স্বীকার করার পর সোমবার (২০ জুলাই) দেশটির প্রধানমন্ত্রী লরেন্স উওং এক বিবৃতিতে তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতিতে বলা হয়, ফয়সাল ও ওই নারীর মধ্যে অধিকাংশ যোগাযোগই অনলাইনে হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানের ফাঁকে তারা কয়েকবার সরাসরি সাক্ষাৎও করেন।
পরবর্তীতে উভয়েই একে অপরের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেন। তবে পুলিশ তদন্ত শেষে জানিয়েছে, এ ঘটনায় ফয়সাল ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক আচরণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
তবে প্রধানমন্ত্রী লরেন্স উওং বলেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন ব্যক্তির এমন ধরনের ব্যক্তিগত যোগাযোগ তার পদমর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটি অবশ্যই জনমনে প্রশ্ন তৈরি করে। সেই বিবেচনায় ফয়সালের পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছাড়ার পাশাপাশি ক্ষমতাসীন পিপলস অ্যাকশন পার্টি (পিএপি) থেকেও পদত্যাগ করেছেন ফয়সাল ইব্রাহিম। ২০০৬ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া ফয়সাল ২০২৫ সালে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
উল্লেখ্য, ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৬৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার ক্ষমতায় আসে পিপলস অ্যাকশন পার্টি। এরপর থেকে প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা ক্ষমতায় রয়েছে দলটি। নিজেদের স্বচ্ছতার জন্য পরিচিত এই দলটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক বিতর্কের মুখে পড়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে দুর্নীতি ও একজন আইনপ্রণেতার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে তৎকালীন পরিবহনমন্ত্রী এস. ঈশ্বরণ দোষী সাব্যস্ত হন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
সূত্র: এএফপি, ফার্স্টপোস্ট

আপনার মতামত লিখুন