বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ভবন অপসারণে অভিযান শুরু করেছে কুয়েত সরকার। এর অংশ হিসেবে হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার কয়েকটি ভবন থেকে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া প্রবাসীদের অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দিতে হাসাবিয়া এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দূতাবাস জানায়, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের খোঁজখবর নিতে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দূতাবাসের কাউন্সেলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার কাউন্সেলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদার। তারা প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কুয়েতি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব প্রবাসীর বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে তাদের আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের ডিপোর্টেশন সেন্টারে পাঠিয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। একই ধরনের অভিযান কুয়েতের অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে চালানো হবে।
এদিকে, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দেখিয়ে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল বা অন্য কোনো প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কুয়েতে বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে আবাসনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। পাশাপাশি বাইরে চলাচলের সময় অবশ্যই সিভিল আইডি বা বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ভবন অপসারণে অভিযান শুরু করেছে কুয়েত সরকার। এর অংশ হিসেবে হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার কয়েকটি ভবন থেকে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ হওয়া প্রবাসীদের অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দিতে হাসাবিয়া এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
দূতাবাস জানায়, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের খোঁজখবর নিতে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল সেখানে পরিদর্শন করেছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দূতাবাসের কাউন্সেলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার কাউন্সেলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদার। তারা প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কুয়েতি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
কুয়েতি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যেসব প্রবাসীর বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে তাদের আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের ডিপোর্টেশন সেন্টারে পাঠিয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। একই ধরনের অভিযান কুয়েতের অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে চালানো হবে।
এদিকে, অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দেখিয়ে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল বা অন্য কোনো প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কুয়েতে বসবাসরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে আবাসনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। পাশাপাশি বাইরে চলাচলের সময় অবশ্যই সিভিল আইডি বা বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন