উখিয়া উপজেলার ৩নং হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদকে বিভক্তকরণের জন্য ১৬ জুলাই'২৬ সকাল ১১.০০টায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানিতে নতুন ইউনিয়ন গঠনের তিনটি পদ্ধতি আলোচনায় হয়:
ক) ভৌগলিক পরিমাপের ভিত্তিতে খ) জনসংখ্যার ভিত্তিতে গ) ভুমির মৌজা ম্যাপ অনুযায়ী ভাগের ভিত্তিতে ।
উপস্থিত ভোটারের সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামত হলো:
ধুরুংখালী খালকে সীমানা ধরে খালে খালে উত্তর-দক্ষিনে ইউনিয়ন পরিষদ ভাগ করা হোক।
খালের উত্তরাংশ হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ এবং খালের দক্ষিণাংশ হবে রুমখা পালং ইউনিয়ন পরিষদ।
বাংলাদেশে নতুন ইউনিয়ন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ-এর অধীনে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুসরণ করা হয়।নীতিমালা ও শর্তাবলি:জনসংখ্যা: নতুন ইউনিয়নের জন্য ন্যূনতম ২০,০০০ (বিশ হাজার) মানুষ থাকতে হবে।ভৌগোলিক এলাকা: এলাকাটি পর্যাপ্ত বড় ও উপযুক্ত হতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিবেচনা করা হয়।আয়তন ও রাজস্ব: অঞ্চলটিতে ইউনিয়ন পরিষদের খরচ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও আয়ের উৎস থাকতে হয়।সীমানা নির্ধারণ: পুরানো ইউনিয়নের সঙ্গে সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকা যাবে না। নদী ভাঙন বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক কারণে ইউনিয়ন বিভক্ত বা পুনর্গঠন করা যায়।
এইভাবেই হলে হয়তো সরকারি বিধি অনুযায়ী নতুন ইউনিয়ন পরিষদ রুমখা পালং ইউনিয়ন পরিষদ গঠন সহজতর হবে। কিন্তু এভাবে হলে ৪;৫;৮ নং ওয়ার্ডের ভোটারেরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। যাতে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের আপত্তি আছে- ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের ভোটারের মতামত ও জোর দাবি তাদেরকে বিভাজন না করে হলদিয়া পালং ইউনিয়নে রাখতে হবে এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোটারদের নবগঠিত রুমখা পালং ইউনিয়নে রাখতে হবে।
গণশুনানিতে ভোটারদের আঁকাঙ্খা ও গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী বিচারকের মতামত ও কতৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে নতুন রুমখা পালং ইউনিয়ন পরিষদ গঠন প্রক্রিয়া।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
উখিয়া উপজেলার ৩নং হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদকে বিভক্তকরণের জন্য ১৬ জুলাই'২৬ সকাল ১১.০০টায় উখিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানিতে নতুন ইউনিয়ন গঠনের তিনটি পদ্ধতি আলোচনায় হয়:
ক) ভৌগলিক পরিমাপের ভিত্তিতে খ) জনসংখ্যার ভিত্তিতে গ) ভুমির মৌজা ম্যাপ অনুযায়ী ভাগের ভিত্তিতে ।
উপস্থিত ভোটারের সংখ্যা গরিষ্ঠের মতামত হলো:
ধুরুংখালী খালকে সীমানা ধরে খালে খালে উত্তর-দক্ষিনে ইউনিয়ন পরিষদ ভাগ করা হোক।
খালের উত্তরাংশ হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ এবং খালের দক্ষিণাংশ হবে রুমখা পালং ইউনিয়ন পরিষদ।
বাংলাদেশে নতুন ইউনিয়ন গঠনের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ-এর অধীনে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুসরণ করা হয়।নীতিমালা ও শর্তাবলি:জনসংখ্যা: নতুন ইউনিয়নের জন্য ন্যূনতম ২০,০০০ (বিশ হাজার) মানুষ থাকতে হবে।ভৌগোলিক এলাকা: এলাকাটি পর্যাপ্ত বড় ও উপযুক্ত হতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিবেচনা করা হয়।আয়তন ও রাজস্ব: অঞ্চলটিতে ইউনিয়ন পরিষদের খরচ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও আয়ের উৎস থাকতে হয়।সীমানা নির্ধারণ: পুরানো ইউনিয়নের সঙ্গে সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকা যাবে না। নদী ভাঙন বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক কারণে ইউনিয়ন বিভক্ত বা পুনর্গঠন করা যায়।
এইভাবেই হলে হয়তো সরকারি বিধি অনুযায়ী নতুন ইউনিয়ন পরিষদ রুমখা পালং ইউনিয়ন পরিষদ গঠন সহজতর হবে। কিন্তু এভাবে হলে ৪;৫;৮ নং ওয়ার্ডের ভোটারেরা দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। যাতে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের আপত্তি আছে- ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের ভোটারের মতামত ও জোর দাবি তাদেরকে বিভাজন না করে হলদিয়া পালং ইউনিয়নে রাখতে হবে এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোটারদের নবগঠিত রুমখা পালং ইউনিয়নে রাখতে হবে।
গণশুনানিতে ভোটারদের আঁকাঙ্খা ও গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী বিচারকের মতামত ও কতৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে নতুন রুমখা পালং ইউনিয়ন পরিষদ গঠন প্রক্রিয়া।

আপনার মতামত লিখুন