দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর উত্তরপাড়ায় যমুনা শাখা নদীর তীব্র ভাঙনে এলাকার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়কের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। এতে শ্রীপুর, পলিপাড়া, তেলিপাড়া, হিন্দুপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষের স্বাভাবিক চলাচল চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত রাতের ঝড়-বৃষ্টির সময় নদীর তীরবর্তী একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ার পর থেকেই নদীর পাড়ে ভাঙন শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে অবশিষ্ট অংশও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় আরও বড় অংশ ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সড়কটি শ্রীপুর, পলিপাড়া, তেলিপাড়া, হিন্দুপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। বিকল্প সড়ক না থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। ধসে পড়া সড়কটি পরিদর্শন করেন বিরামপুর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী মো. শাহানুর আলম মাস্টার। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এতে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন, রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, এলজিইডি এবং জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধ ও সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর উত্তরপাড়ায় যমুনা শাখা নদীর তীব্র ভাঙনে এলাকার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়কের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। এতে শ্রীপুর, পলিপাড়া, তেলিপাড়া, হিন্দুপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষের স্বাভাবিক চলাচল চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত রাতের ঝড়-বৃষ্টির সময় নদীর তীরবর্তী একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ার পর থেকেই নদীর পাড়ে ভাঙন শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে অবশিষ্ট অংশও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো সময় আরও বড় অংশ ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সড়কটি শ্রীপুর, পলিপাড়া, তেলিপাড়া, হিন্দুপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। বিকল্প সড়ক না থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। ধসে পড়া সড়কটি পরিদর্শন করেন বিরামপুর উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী মো. শাহানুর আলম মাস্টার। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, দ্রুত জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এতে কয়েকটি গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন, রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, এলজিইডি এবং জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধ ও সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন