পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত গবাদিপশুর মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এ লক্ষ্যে ১০ সদস্যের ‘নিরাপদ গবাদিপশুর মাংস নিশ্চিতকরণ টিম’ গঠন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে পশু জবাইয়ের আগে প্রতিটি প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) পৌর এলাকার বিভিন্ন মাংসের দোকান পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়। এ সময় পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১১ সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয় এবং আইন যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল সূত্র জানায়, অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য উপজেলার সব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ তদারকি দল গঠন করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোস্তাবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়ীদের জবাইয়ের আগে প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নির্ধারিত স্থান ও সময়ে পশু জবাই, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাংস বিক্রি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারীদের ফিটনেস সার্টিফিকেট এবং স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে এ বিষয়ে তাদের সতর্কতামূলক নোটিশও প্রদান করা হয়েছে।
সম্প্রতি উপজেলার বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি, অসুস্থ পশু জবাই এবং দীর্ঘ সময় ধরে মাংস বিক্রির অভিযোগ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নজরে আসে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে ভেটেরিনারি সার্জন ডা. অনন্যা সাহাকে টিম লিডার করে ১০ সদস্যের ‘নিরাপদ গবাদিপশুর মাংস নিশ্চিতকরণ টিম’ গঠন করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত এআই টেকনিশিয়ানরা নিজ নিজ এলাকায় পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য সনদ প্রদানের কার্যক্রম তদারকি করবেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে জবাইয়ের আগে প্রতিটি প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে। পাশাপাশি মাংস ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সম্পন্ন করতে চলতি জুলাই মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে ভোক্তাদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত গবাদিপশুর মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এ লক্ষ্যে ১০ সদস্যের ‘নিরাপদ গবাদিপশুর মাংস নিশ্চিতকরণ টিম’ গঠন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে পশু জবাইয়ের আগে প্রতিটি প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে।
বুধবার (১৫ জুলাই) পৌর এলাকার বিভিন্ন মাংসের দোকান পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হয়। এ সময় পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১১ সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয় এবং আইন যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল সূত্র জানায়, অ্যানথ্রাক্সসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগের সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য উপজেলার সব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ তদারকি দল গঠন করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোস্তাবুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়ীদের জবাইয়ের আগে প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নির্ধারিত স্থান ও সময়ে পশু জবাই, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাংস বিক্রি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, মাংস প্রক্রিয়াজাতকারীদের ফিটনেস সার্টিফিকেট এবং স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর আগে এ বিষয়ে তাদের সতর্কতামূলক নোটিশও প্রদান করা হয়েছে।
সম্প্রতি উপজেলার বাইরে থেকে মাংস এনে বিক্রি, অসুস্থ পশু জবাই এবং দীর্ঘ সময় ধরে মাংস বিক্রির অভিযোগ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নজরে আসে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপদ মাংস সরবরাহ নিশ্চিত করতে তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে ভেটেরিনারি সার্জন ডা. অনন্যা সাহাকে টিম লিডার করে ১০ সদস্যের ‘নিরাপদ গবাদিপশুর মাংস নিশ্চিতকরণ টিম’ গঠন করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মরত এআই টেকনিশিয়ানরা নিজ নিজ এলাকায় পশু জবাইয়ের আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য সনদ প্রদানের কার্যক্রম তদারকি করবেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে জবাইয়ের আগে প্রতিটি প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে স্বাস্থ্য সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে। পাশাপাশি মাংস ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সম্পন্ন করতে চলতি জুলাই মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন