যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যের উপকূলীয় শহর বিডিফোর্ডে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর গুলিতে এক চালক নিহত হয়েছেন। টেক্সাসে একই ধরনের একটি ঘটনায় একজন নিহত হওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আবারও এমন ঘটনা ঘটায় দেশজুড়ে অভিবাসন অভিযান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে পোর্টল্যান্ড শহর থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) জানায়, জননিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় একজন আইসিই কর্মকর্তা গুলি চালাতে বাধ্য হন। তাদের দাবি, গাড়িটি থামানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে ডিএইচএসের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, ঠিক কী কারণে ওই চালক জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন। ডিএইচএস জানায়, চূড়ান্ত বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত এক অবৈধ অভিবাসীর সর্বশেষ ঠিকানায় নজরদারি চালাচ্ছিলেন আইসিই কর্মকর্তারা। এ সময় ওই বাড়ি থেকে একটি গাড়ি বের হলে সেটির পিছু নেন তারা। তবে নজরদারিতে থাকা ব্যক্তি এবং নিহত চালক একই ব্যক্তি ছিলেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার পরপরই বিডিফোর্ড পুলিশ ও এফবিআই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এদিকে অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, নিহত ব্যক্তি ২৬ বছর বয়সী এক কলম্বিয়ান নাগরিক। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি ছিল এবং তার একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরও (সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর) ছিল। মেইন ইমিগ্র্যান্টস রাইটস কোয়ালিশন এবং প্রেজেন্তে! মেইন এক যৌথ বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, "এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক, ক্ষোভের এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং গুলি চালানোর যৌক্তিকতা নিয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যের উপকূলীয় শহর বিডিফোর্ডে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর গুলিতে এক চালক নিহত হয়েছেন। টেক্সাসে একই ধরনের একটি ঘটনায় একজন নিহত হওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আবারও এমন ঘটনা ঘটায় দেশজুড়ে অভিবাসন অভিযান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে পোর্টল্যান্ড শহর থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) জানায়, জননিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় একজন আইসিই কর্মকর্তা গুলি চালাতে বাধ্য হন। তাদের দাবি, গাড়িটি থামানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও চালক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে ডিএইচএসের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি, ঠিক কী কারণে ওই চালক জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন। ডিএইচএস জানায়, চূড়ান্ত বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত এক অবৈধ অভিবাসীর সর্বশেষ ঠিকানায় নজরদারি চালাচ্ছিলেন আইসিই কর্মকর্তারা। এ সময় ওই বাড়ি থেকে একটি গাড়ি বের হলে সেটির পিছু নেন তারা। তবে নজরদারিতে থাকা ব্যক্তি এবং নিহত চালক একই ব্যক্তি ছিলেন কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার পরপরই বিডিফোর্ড পুলিশ ও এফবিআই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এদিকে অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের দাবি, নিহত ব্যক্তি ২৬ বছর বয়সী এক কলম্বিয়ান নাগরিক। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি ছিল এবং তার একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বরও (সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর) ছিল। মেইন ইমিগ্র্যান্টস রাইটস কোয়ালিশন এবং প্রেজেন্তে! মেইন এক যৌথ বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, "এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক, ক্ষোভের এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।" ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং গুলি চালানোর যৌক্তিকতা নিয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন