ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফু কুওক দ্বীপের কাছে পর্যটকবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
ভিয়েতনামের সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় নৌকাটিতে মোট ৩৬ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক, তিনজন ক্রু সদস্য এবং একজন পরিচারক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নৌকাটি হন মে রুট দ্বীপ থেকে আন থোই বন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। উপকূল থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে পৌঁছানোর পর উত্তাল সমুদ্রে বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে নৌকাটি উল্টে যায়। প্রাথমিকভাবে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরকেই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তও শুরু হয়েছে।
এদিকে, ভিয়েতনামে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তায় হো চি মিন সিটি ও হ্যানয়ে জরুরি রেসপন্স সেন্টার চালু করা হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম ও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভিয়েতনামের বৃহত্তম দ্বীপ ফু কুওক ভারতীয় পর্যটকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সেই জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাতেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ভিয়েতনামের দক্ষিণাঞ্চলীয় ফু কুওক দ্বীপের কাছে পর্যটকবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১৫ জন ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
ভিয়েতনামের সংবাদমাধ্যম ভিএনএক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় নৌকাটিতে মোট ৩৬ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ৩২ জন ভারতীয় পর্যটক, তিনজন ক্রু সদস্য এবং একজন পরিচারক ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ২১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নৌকাটি হন মে রুট দ্বীপ থেকে আন থোই বন্দরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। উপকূল থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে পৌঁছানোর পর উত্তাল সমুদ্রে বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে নৌকাটি উল্টে যায়। প্রাথমিকভাবে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সাগরকেই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তও শুরু হয়েছে।
এদিকে, ভিয়েতনামে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাস ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তায় হো চি মিন সিটি ও হ্যানয়ে জরুরি রেসপন্স সেন্টার চালু করা হয়েছে। দূতাবাস জানিয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কার্যক্রম ও পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভিয়েতনামের বৃহত্তম দ্বীপ ফু কুওক ভারতীয় পর্যটকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। সেই জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাতেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন