ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে মরক্কোর। মাঠে দলের এই বিদায়ের পর গ্যালারিতে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি বলিউডের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। স্টেডিয়ামেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আর সেই দৃশ্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে মরক্কো অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চোখের পানি মুছছেন নোরা। পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মরক্কোর বিদায়ে তার এমন আবেগঘন প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।
বিশ্বকাপজুড়ে মরক্কোর প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন নোরা। এমনকি বোস্টনের পথে তীব্র যানজটে আটকে পড়লেও খেলা শুরুর আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছাতে গাড়ি ছেড়ে কিছুটা পথ হেঁটে যেতে হয়েছে তাকে। তবু দলের প্রতি সমর্থনে এতটুকু ঘাটতি রাখেননি তিনি।
কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে মরক্কো শেষ পর্যন্ত আর চমক দেখাতে পারেনি। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফ্রান্স।
হারের পরও মরক্কো দলের প্রতি নিজের গর্বের কথা প্রকাশ করেন নোরা ফাতেহি। বিশেষ করে অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিসহ পুরো দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেন তিনি।
তবে নোরার কান্নার পেছনে শুধু প্রিয় দলের পরাজয়ের কষ্টই নয়, ব্যক্তিগত আবেগও থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। গত এক বছর ধরে নোরা ফাতেহি ও আশরাফ হাকিমির সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে রয়েছে। যদিও দুজনের কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে মরক্কোর বিদায়ের রাতে নোরার অশ্রু সেই গুঞ্জনকে আবারও উসকে দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে মরক্কোর। মাঠে দলের এই বিদায়ের পর গ্যালারিতে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি বলিউডের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। স্টেডিয়ামেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আর সেই দৃশ্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে মরক্কো অধিনায়ক আশরাফ হাকিমির সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, চোখের পানি মুছছেন নোরা। পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মরক্কোর বিদায়ে তার এমন আবেগঘন প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।
বিশ্বকাপজুড়ে মরক্কোর প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন নোরা। এমনকি বোস্টনের পথে তীব্র যানজটে আটকে পড়লেও খেলা শুরুর আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছাতে গাড়ি ছেড়ে কিছুটা পথ হেঁটে যেতে হয়েছে তাকে। তবু দলের প্রতি সমর্থনে এতটুকু ঘাটতি রাখেননি তিনি।
কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে মরক্কো শেষ পর্যন্ত আর চমক দেখাতে পারেনি। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফ্রান্স।
হারের পরও মরক্কো দলের প্রতি নিজের গর্বের কথা প্রকাশ করেন নোরা ফাতেহি। বিশেষ করে অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিসহ পুরো দলের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেন তিনি।
তবে নোরার কান্নার পেছনে শুধু প্রিয় দলের পরাজয়ের কষ্টই নয়, ব্যক্তিগত আবেগও থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। গত এক বছর ধরে নোরা ফাতেহি ও আশরাফ হাকিমির সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে রয়েছে। যদিও দুজনের কেউই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে মরক্কোর বিদায়ের রাতে নোরার অশ্রু সেই গুঞ্জনকে আবারও উসকে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন