সরকারি অনুদানের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ১১ সদস্যের ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নবগঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।
সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মুক্তি। তিনি বলেন, অনুদান কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। তার ভাষায়, চলচ্চিত্র একটি সমাজের দর্পণ এবং সরকারি অনুদান দেশের মেধাবী নির্মাতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অন্যতম বড় সহায়ক।
মুক্তি জানান, একজন চলচ্চিত্রকর্মী হিসেবে তিনি সবসময়ই দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ কামনা করেছেন। এবার মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় নিজের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন।
তিনি বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তার লক্ষ্য থাকবে এমন গল্প ও চিত্রনাট্য নির্বাচন করা, যা দেশীয় সংস্কৃতিকে যথাযথভাবে তুলে ধরবে, সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা চলচ্চিত্রের মর্যাদা আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে। পাশাপাশি নতুন ও তরুণ নির্মাতাদের সৃজনশীল উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সভাপতি এবং যুগ্মসচিব (চলচ্চিত্র)-কে সদস্য সচিব করে মোট ১১ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রযোজক সরদার সানিয়াত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৫ (সংশোধিত) অনুযায়ী পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান বাছাই কমিটির সুপারিশ ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সরকারি অনুদান প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এই কমিটি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
সরকারি অনুদানের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ১১ সদস্যের ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নবগঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।
সরকারি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মুক্তি। তিনি বলেন, অনুদান কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। তার ভাষায়, চলচ্চিত্র একটি সমাজের দর্পণ এবং সরকারি অনুদান দেশের মেধাবী নির্মাতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অন্যতম বড় সহায়ক।
মুক্তি জানান, একজন চলচ্চিত্রকর্মী হিসেবে তিনি সবসময়ই দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ কামনা করেছেন। এবার মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় নিজের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন।
তিনি বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তার লক্ষ্য থাকবে এমন গল্প ও চিত্রনাট্য নির্বাচন করা, যা দেশীয় সংস্কৃতিকে যথাযথভাবে তুলে ধরবে, সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা চলচ্চিত্রের মর্যাদা আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে। পাশাপাশি নতুন ও তরুণ নির্মাতাদের সৃজনশীল উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে কমিটি পুনর্গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে সভাপতি এবং যুগ্মসচিব (চলচ্চিত্র)-কে সদস্য সচিব করে মোট ১১ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রযোজক সরদার সানিয়াত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৫ (সংশোধিত) অনুযায়ী পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান বাছাই কমিটির সুপারিশ ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সরকারি অনুদান প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এই কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন