বাংলাদেশের বোলাররা এমন দাপুটে শুরু করেছিলেন যে, জিম্বাবুয়েকে ২০০ রানের আগেই অলআউট করা সম্ভব বলেই মনে হচ্ছিল। দর্শক-সমর্থকদের প্রত্যাশাও ছিল তেমনই। কিন্তু ওপেনার বেন কারানের অনবদ্য সেঞ্চুরি সেই সম্ভাবনায় পানি ঢেলে দেয়। তার দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা।
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এখন বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ২৪৮ রান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারে স্পোর্টস ক্লাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে।
টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর নিজের দ্বিতীয় স্পেলে ইনোসেন্ট কাইয়াকেও সাজঘরের পথ দেখিয়ে জোড়া উইকেট তুলে নেন এই পেসার।
নবম ওভারে নাহিদ রানার শিকার হন ৯ রান করা ক্রেগ আরভিন। এরপর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরিয়ে দেন ওয়েসলি মাধাভেরে ও সিকান্দার রাজাকে। ক্লাইভ মাদান্দেকেও আউট করেন স্পিনার রিশাদ হোসেন। মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে এরপরও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অসাধারণ ব্যাটিং করেন ওপেনার বেন কারান। ধৈর্য ও দৃঢ়তায় গড়া তার অপরাজিত ১১১ রানের ইনিংস জিম্বাবুয়েকে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে। শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্সও কার্যকর ভূমিকা রাখেন। তিনি ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে কারানকে দারুণ সঙ্গ দেন।
দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে শেষ পর্যন্ত ২৪৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। ফলে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ২৪৮ রান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের বোলাররা এমন দাপুটে শুরু করেছিলেন যে, জিম্বাবুয়েকে ২০০ রানের আগেই অলআউট করা সম্ভব বলেই মনে হচ্ছিল। দর্শক-সমর্থকদের প্রত্যাশাও ছিল তেমনই। কিন্তু ওপেনার বেন কারানের অনবদ্য সেঞ্চুরি সেই সম্ভাবনায় পানি ঢেলে দেয়। তার দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিকরা।
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এখন বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ২৪৮ রান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) হারারে স্পোর্টস ক্লাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে।
টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন তাসকিন আহমেদ। এরপর নিজের দ্বিতীয় স্পেলে ইনোসেন্ট কাইয়াকেও সাজঘরের পথ দেখিয়ে জোড়া উইকেট তুলে নেন এই পেসার।
নবম ওভারে নাহিদ রানার শিকার হন ৯ রান করা ক্রেগ আরভিন। এরপর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরিয়ে দেন ওয়েসলি মাধাভেরে ও সিকান্দার রাজাকে। ক্লাইভ মাদান্দেকেও আউট করেন স্পিনার রিশাদ হোসেন। মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে এরপরও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে অসাধারণ ব্যাটিং করেন ওপেনার বেন কারান। ধৈর্য ও দৃঢ়তায় গড়া তার অপরাজিত ১১১ রানের ইনিংস জিম্বাবুয়েকে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে। শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্সও কার্যকর ভূমিকা রাখেন। তিনি ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে কারানকে দারুণ সঙ্গ দেন।
দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে শেষ পর্যন্ত ২৪৭ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। ফলে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে করতে হবে ২৪৮ রান।

আপনার মতামত লিখুন