বিশ্বকাপ চলাকালেই বড় ধরনের বিতর্কে জড়িয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন-এর লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে এবার সরব হয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক আইনপ্রণেতা। তারা এ ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় পরের ম্যাচে বালোগুনের খেলার সুযোগ ছিল না। তবে হঠাৎ করেই সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ফিফা। এরপরই অভিযোগ ওঠে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ব্যারি অ্যান্ড্রুজ, লারা ভোল্টার্স এবং নিলস ফুগলসাং। তাদের ভাষ্য, চলমান টুর্নামেন্টের মধ্যে শাস্তির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা খেলাধুলার ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার পরিপন্থি। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ফিফা সিদ্ধান্ত বদল করেছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
এ পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা তদন্তের দাবিতে সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে বিষয়টি ফিফা এথিকস কমিটির মাধ্যমে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ফিফা সব অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছে, বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তাদের শৃঙ্খলা কমিটির বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, এ সিদ্ধান্তে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছিল না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ চলাকালেই বড় ধরনের বিতর্কে জড়িয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন-এর লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে এবার সরব হয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক আইনপ্রণেতা। তারা এ ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় পরের ম্যাচে বালোগুনের খেলার সুযোগ ছিল না। তবে হঠাৎ করেই সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ফিফা। এরপরই অভিযোগ ওঠে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ব্যারি অ্যান্ড্রুজ, লারা ভোল্টার্স এবং নিলস ফুগলসাং। তাদের ভাষ্য, চলমান টুর্নামেন্টের মধ্যে শাস্তির সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা খেলাধুলার ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার পরিপন্থি। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ফিফা সিদ্ধান্ত বদল করেছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।
এ পর্যন্ত অন্তত ৩৫ জন ইউরোপীয় আইনপ্রণেতা তদন্তের দাবিতে সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে বিষয়টি ফিফা এথিকস কমিটির মাধ্যমে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ফিফা সব অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছে, বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে তাদের শৃঙ্খলা কমিটির বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, এ সিদ্ধান্তে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছিল না।

আপনার মতামত লিখুন