বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, মাঠের উত্তেজনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জমে উঠছে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইও। প্রতিটি ম্যাচের পরই বদলে যাচ্ছে শীর্ষস্থান। এক সময় কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড সমান গোল করে তালিকার শীর্ষে উঠলেও, শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে গোল করে আবারও এককভাবে সবার ওপরে উঠে এসেছেন লিওনেল মেসি।
মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। কঠিন সেই মুহূর্তে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখান মেসি। তার সমতাসূচক গোলেই ম্যাচে ফেরে আলবিসেলেস্তেরা এবং শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে নতুন প্রাণ ফিরে পায়।
এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পাশাপাশি বিশ্বকাপে টানা নয় ম্যাচে গোল করার নজিরও স্থাপন করেছেন তিনি।
বর্তমানে ৮ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এককভাবে শীর্ষে রয়েছেন মেসি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে জুস্ত ফঁতেন-এর এক আসরে ১৩ গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন আরও পাঁচটি গোল।
এদিকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে ফ্রান্সকে জিতিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত হয় দলটির। পাঁচ ম্যাচে ৭ গোল করে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯।
অন্যদিকে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ঐতিহাসিক জয়ে নায়ক ছিলেন আর্লিং হালান্ড। ম্যাচের শেষ ভাগে দুটি গোল করে দলকে স্মরণীয় জয় এনে দেন তিনি। প্রথমে দুর্দান্ত হেডে এবং পরে যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ৭-এ উন্নীত করেন। ফলে এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে পিছিয়ে নেই হ্যারি কেইনও। মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৩-২ ব্যবধানের জয়ে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেন তিনি। বর্তমানে ৬ গোল নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে টাইব্রেকার বাদে সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৬টি সফল পেনাল্টি থেকে গোল করার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব যত এগোচ্ছে, গোল্ডেন বুটের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ততই তীব্র হয়ে উঠছে। মেসি আপাতত শীর্ষে থাকলেও এমবাপ্পে, হালান্ড ও কেইনের মতো তারকারা খুব কাছেই অবস্থান করছেন। তাই শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার কার হাতে উঠবে, তা নির্ধারণ হবে আগামী ম্যাচগুলোর পারফরম্যান্সেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপ যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, মাঠের উত্তেজনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জমে উঠছে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইও। প্রতিটি ম্যাচের পরই বদলে যাচ্ছে শীর্ষস্থান। এক সময় কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড সমান গোল করে তালিকার শীর্ষে উঠলেও, শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে গোল করে আবারও এককভাবে সবার ওপরে উঠে এসেছেন লিওনেল মেসি।
মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। কঠিন সেই মুহূর্তে দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ দেখান মেসি। তার সমতাসূচক গোলেই ম্যাচে ফেরে আলবিসেলেস্তেরা এবং শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে নতুন প্রাণ ফিরে পায়।
এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। পাশাপাশি বিশ্বকাপে টানা নয় ম্যাচে গোল করার নজিরও স্থাপন করেছেন তিনি।
বর্তমানে ৮ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এককভাবে শীর্ষে রয়েছেন মেসি। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে জুস্ত ফঁতেন-এর এক আসরে ১৩ গোলের ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন আরও পাঁচটি গোল।
এদিকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে ফ্রান্সকে জিতিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত হয় দলটির। পাঁচ ম্যাচে ৭ গোল করে তিনি গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯।
অন্যদিকে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ের ঐতিহাসিক জয়ে নায়ক ছিলেন আর্লিং হালান্ড। ম্যাচের শেষ ভাগে দুটি গোল করে দলকে স্মরণীয় জয় এনে দেন তিনি। প্রথমে দুর্দান্ত হেডে এবং পরে যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ৭-এ উন্নীত করেন। ফলে এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়েজিয়ান এই স্ট্রাইকার।
গোল্ডেন বুটের দৌড়ে পিছিয়ে নেই হ্যারি কেইনও। মেক্সিকোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ৩-২ ব্যবধানের জয়ে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করেন তিনি। বর্তমানে ৬ গোল নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপে টাইব্রেকার বাদে সবচেয়ে বেশি, অর্থাৎ ৬টি সফল পেনাল্টি থেকে গোল করার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব যত এগোচ্ছে, গোল্ডেন বুটের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ততই তীব্র হয়ে উঠছে। মেসি আপাতত শীর্ষে থাকলেও এমবাপ্পে, হালান্ড ও কেইনের মতো তারকারা খুব কাছেই অবস্থান করছেন। তাই শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার কার হাতে উঠবে, তা নির্ধারণ হবে আগামী ম্যাচগুলোর পারফরম্যান্সেই।

আপনার মতামত লিখুন