জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এক অভূতপূর্ব ও উৎসবমুখর পরিবেশের সাক্ষী হলো কিশোরগঞ্জ। আজ (৪ জুলাই ) বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করতে জেলা শহরে এক বিশাল গণমিছিলের আয়োজন করে ১১-দলীয় ঐক্য।
বিকেল গড়াতেই শহরের ঐতিহাসিক রথখলা মাঠ ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। ব্যানার, ফেস্টুন আর জাতীয় পতাকা হাতে হাজারো কণ্ঠের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে কিশোরগঞ্জের রাজপথ।
গণমিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, "জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা এ দেশের মানুষের মুক্তির দিশারী। কোনো অপশক্তি যেন এই অর্জনকে নস্যাৎ করতে না পারে, সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
মিছিলে আসা সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে ছিল এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আর বুকভরা উদ্দীপনা। সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় বার্ষিকীর এই আয়োজন কিশোরগঞ্জবাসীকে আরও একবার একতার সুতোয় বেঁধে দিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এক অভূতপূর্ব ও উৎসবমুখর পরিবেশের সাক্ষী হলো কিশোরগঞ্জ। আজ (৪ জুলাই ) বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করতে জেলা শহরে এক বিশাল গণমিছিলের আয়োজন করে ১১-দলীয় ঐক্য।
বিকেল গড়াতেই শহরের ঐতিহাসিক রথখলা মাঠ ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্র-জনতা এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। ব্যানার, ফেস্টুন আর জাতীয় পতাকা হাতে হাজারো কণ্ঠের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে কিশোরগঞ্জের রাজপথ।
গণমিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, "জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা এ দেশের মানুষের মুক্তির দিশারী। কোনো অপশক্তি যেন এই অর্জনকে নস্যাৎ করতে না পারে, সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
মিছিলে আসা সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে ছিল এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আর বুকভরা উদ্দীপনা। সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় বার্ষিকীর এই আয়োজন কিশোরগঞ্জবাসীকে আরও একবার একতার সুতোয় বেঁধে দিল।

আপনার মতামত লিখুন