ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারী মিয়ানমারে পালিয়ে যায়

টেকনাফ সীমান্তে নদীপথে পাচারের সময় ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার,



টেকনাফ সীমান্তে নদীপথে পাচারের সময় ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার,

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নদীপথে পাচারের সময় মালিকবিহীন ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে এক মাদক পাচারকারী নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ সংলগ্ন কেরেঙ্গাঘোনা-০২ পোস্ট এলাকায় সন্দেহজনকভাবে এক ব্যক্তিকে একটি পোটলা হাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এ সময় টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাকে থামার সংকেত দিলে তিনি হাতে থাকা পোটলাটি ফেলে দ্রুত নাফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যান।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে বিজিবি সদস্যরা কালো কাপড়ে মোড়ানো একটি পোটলা উদ্ধার করেন। পোটলাটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে নীল রঙের বায়ুরোধী ছয়টি প্যাকেটে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, "দেশকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।"

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


টেকনাফ সীমান্তে নদীপথে পাচারের সময় ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার,

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নদীপথে পাচারের সময় মালিকবিহীন ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে এক মাদক পাচারকারী নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ সংলগ্ন কেরেঙ্গাঘোনা-০২ পোস্ট এলাকায় সন্দেহজনকভাবে এক ব্যক্তিকে একটি পোটলা হাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এ সময় টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাকে থামার সংকেত দিলে তিনি হাতে থাকা পোটলাটি ফেলে দ্রুত নাফ নদীতে ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে যান।

পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে বিজিবি সদস্যরা কালো কাপড়ে মোড়ানো একটি পোটলা উদ্ধার করেন। পোটলাটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে নীল রঙের বায়ুরোধী ছয়টি প্যাকেটে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। মাদক পাচারে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, "দেশকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ধরনের মাদক দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে আমাদের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।"

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ইয়াবা যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ