জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণ সংবিধান সংস্কারের ম্যান্ডেট দিয়েছে, শুধুমাত্র সংশোধনের নয়। তিনি মনে করেন, প্রকৃত সংস্কার বাস্তবায়িত হলেই দেশে সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।
বুধবার (১ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই না কোনো আইন দলীয় স্বার্থে বা কোনো বিশেষ দলের দিকে তাকিয়ে প্রণয়ন করা হোক। জনগণের কল্যাণ ও রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সামনে রেখেই আইন হওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, অতীতে গণভোটের রায় যথাযথভাবে মেনে না নেওয়ার কারণেই দেশের রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বাজেট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এবারের বাজেট নিয়ে যে ধারণা করা হয়েছিল, তা মোটামুটি বাস্তবতার কাছাকাছি হয়েছে। বড় বাজেট দেওয়া নিজেই কোনো অপরাধ নয়, তবে মূল চ্যালেঞ্জ হলো সেটি বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ।
‘বাজেট যত বড়ই হোক, বাস্তবায়নে দুর্বলতা ও দুর্নীতি থাকলে জনগণ তার সুফল পাবে না। তাই এই জায়গাগুলোতে কার্যকর সংস্কার আনা জরুরি।’
সভায় তিনি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিষয় : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণ সংবিধান সংস্কারের ম্যান্ডেট দিয়েছে, শুধুমাত্র সংশোধনের নয়। তিনি মনে করেন, প্রকৃত সংস্কার বাস্তবায়িত হলেই দেশে সুস্থ গণতান্ত্রিক ধারা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।
বুধবার (১ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট-পরবর্তী মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চাই না কোনো আইন দলীয় স্বার্থে বা কোনো বিশেষ দলের দিকে তাকিয়ে প্রণয়ন করা হোক। জনগণের কল্যাণ ও রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সামনে রেখেই আইন হওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, অতীতে গণভোটের রায় যথাযথভাবে মেনে না নেওয়ার কারণেই দেশের রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বাজেট প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এবারের বাজেট নিয়ে যে ধারণা করা হয়েছিল, তা মোটামুটি বাস্তবতার কাছাকাছি হয়েছে। বড় বাজেট দেওয়া নিজেই কোনো অপরাধ নয়, তবে মূল চ্যালেঞ্জ হলো সেটি বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ।
‘বাজেট যত বড়ই হোক, বাস্তবায়নে দুর্বলতা ও দুর্নীতি থাকলে জনগণ তার সুফল পাবে না। তাই এই জায়গাগুলোতে কার্যকর সংস্কার আনা জরুরি।’
সভায় তিনি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন