শিশুর মুখে এ ক্যাপসুল তুলে দিয়ে জাতীয় ভিটামিন "এ " প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর উদ্ভোদন করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।
শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও অন্ধত্বমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে কিশোরগঞ্জে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মানবিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। উদ্বোধন শেষে তিনি পরম স্নেহে শিশুদের মুখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল তুলে দিয়ে দিনব্যাপী এই কর্মসূচির সূচনা করেন।
এ সময় সম্মেলন কক্ষে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই কোলে শিশু নিয়ে মায়েরা ভিড় করতে শুরু করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অধ্যাপক ও নার্সবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভিটামিন ‘এ’-এর অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, এটি শিশুদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।শিশুদের চিরতরে রাতকানা ও অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করতে এর কোনো বিকল্প নেই। তাছাড়া অপুষ্টিজনিত যেকোনো জটিলতা কমাতে এই ক্যাপসুল জাদুর মতো কাজ করে।
ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নাজমুল করিম বলেন, ক্যাম্পেইনে নিখুঁতভাবে বয়স অনুযায়ী দু’টি ভিন্ন রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য রয়েছে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।
জেলার বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এবং একঝাঁক উদ্যমী স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এই কার্যক্রম চলেছে। কোনো একটি শিশুও যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে প্রতিটি অভিভাবককে সচেতন থাকার উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
শিশুর মুখে এ ক্যাপসুল তুলে দিয়ে জাতীয় ভিটামিন "এ " প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর উদ্ভোদন করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।
শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও অন্ধত্বমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে কিশোরগঞ্জে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মানবিক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। উদ্বোধন শেষে তিনি পরম স্নেহে শিশুদের মুখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল তুলে দিয়ে দিনব্যাপী এই কর্মসূচির সূচনা করেন।
এ সময় সম্মেলন কক্ষে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই কোলে শিশু নিয়ে মায়েরা ভিড় করতে শুরু করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অধ্যাপক ও নার্সবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভিটামিন ‘এ’-এর অপরিহার্যতার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, এটি শিশুদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।শিশুদের চিরতরে রাতকানা ও অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করতে এর কোনো বিকল্প নেই। তাছাড়া অপুষ্টিজনিত যেকোনো জটিলতা কমাতে এই ক্যাপসুল জাদুর মতো কাজ করে।
ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নাজমুল করিম বলেন, ক্যাম্পেইনে নিখুঁতভাবে বয়স অনুযায়ী দু’টি ভিন্ন রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য রয়েছে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।
জেলার বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এবং একঝাঁক উদ্যমী স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এই কার্যক্রম চলেছে। কোনো একটি শিশুও যেন এই জীবনরক্ষাকারী ক্যাপসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে প্রতিটি অভিভাবককে সচেতন থাকার উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন