ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

‘আমি বুড়ি নই, আমি পূর্ণ’- অপরাজিতা আঢ্যের


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০২৬

‘আমি বুড়ি নই, আমি পূর্ণ’- অপরাজিতা আঢ্যের
ছবি: সংগৃহীত

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য শুধু অভিনয় দিয়েই নয়, ব্যক্তিত্ব ও স্পষ্টভাষী মনোভাবের কারণেও দর্শকদের কাছে সমানভাবে প্রশংসিত। পর্দায় প্রাণখোলা হাসি আর ইতিবাচক উপস্থিতির মতো বাস্তব জীবনেও তিনি নিজের ভাবনা অকপটে প্রকাশ করতে ভালোবাসেন।

সম্প্রতি চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের বয়স, সৌন্দর্য ও জীবনযাপন নিয়ে সমাজে প্রচলিত নানা নেতিবাচক ধারণার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার সেই পোস্ট অল্প সময়ের মধ্যেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং অসংখ্য নারী এতে নিজেদের অনুভূতির প্রতিফলন খুঁজে পান।

বয়সকে কেবল একটি সংখ্যা হিসেবে উল্লেখ করে অপরাজিতা লিখেছেন, সময়ের সঙ্গে একজন নারী আরও পরিণত হন, আরও গভীর হন। একই সঙ্গে নিজের প্রতি ভালোবাসাও বেড়ে যায়। তিনি লেখেন, ‘আমি তো সেই মানুষ, শুধু অভিজ্ঞতা একটু বেশি, হাসিটা একটু গভীর, কান্নাটা একটু চুপচাপ, আর নিজেকে ভালোবাসাটা আগের চেয়ে অনেক বেশি।’

নিজের জীবনযাত্রার পরিবর্তনকে দারুণ এক উপমায় তুলে ধরে অভিনেত্রী বলেন, ‘কুড়িতে ছিলাম কুঁড়ি, ত্রিশে হয়েছি নদী, আর চল্লিশে এসে বুঝেছি, আমি আসলে সমুদ্র। আমার ঢেউ আছে, আমার গভীরতা আছে, আমার ঝড় আছে, আর আছে নিজের মতো বাঁচার সাহস।’

সমাজে নারীদের বয়স বাড়লেই ‘বুড়ি’ তকমা দেওয়ার প্রবণতারও কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি। তার ভাষায়, বয়স বাড়া কোনো অপরাধ নয়। প্রকৃত অন্যায় হলো, একজন নারীর বয়স দেখে তার স্বপ্ন, প্রাণশক্তি ও রঙিন মনকে আগেভাগেই অবসরে পাঠিয়ে দেওয়া।

অপরাজিতার এই বক্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তার সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে মধ্যবয়সী নারীরা তার লেখাকে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক বার্তা হিসেবে দেখছেন।

পোস্টের শেষাংশে অভিনেত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লিখেছেন, ‘আমি বুড়ি নই, আমি পরিণত। আমি শেষ নই, আমি পূর্ণ। আর যদি লাল শাড়ি পরে, ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়ে, হেসে একটা ছবি তুলি, তাহলে জেনে রেখো, আমি বুড়ি হইনি, আমি জীবনটাকে উদযাপন করছি। কারণ নারী বুড়ি হয় না, নারী শুধু প্রতি বছর আরও একটু গল্প হয়ে ওঠে।’

অপরাজিতা আঢ্যের এই বার্তা যেন মনে করিয়ে দেয়, বয়স নয়, আত্মবিশ্বাস আর জীবনকে ভালোবাসার মানসিকতাই একজন মানুষকে সত্যিকারের সুন্দর করে তোলে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


‘আমি বুড়ি নই, আমি পূর্ণ’- অপরাজিতা আঢ্যের

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য শুধু অভিনয় দিয়েই নয়, ব্যক্তিত্ব ও স্পষ্টভাষী মনোভাবের কারণেও দর্শকদের কাছে সমানভাবে প্রশংসিত। পর্দায় প্রাণখোলা হাসি আর ইতিবাচক উপস্থিতির মতো বাস্তব জীবনেও তিনি নিজের ভাবনা অকপটে প্রকাশ করতে ভালোবাসেন।

সম্প্রতি চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের বয়স, সৌন্দর্য ও জীবনযাপন নিয়ে সমাজে প্রচলিত নানা নেতিবাচক ধারণার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার সেই পোস্ট অল্প সময়ের মধ্যেই নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং অসংখ্য নারী এতে নিজেদের অনুভূতির প্রতিফলন খুঁজে পান।

বয়সকে কেবল একটি সংখ্যা হিসেবে উল্লেখ করে অপরাজিতা লিখেছেন, সময়ের সঙ্গে একজন নারী আরও পরিণত হন, আরও গভীর হন। একই সঙ্গে নিজের প্রতি ভালোবাসাও বেড়ে যায়। তিনি লেখেন, ‘আমি তো সেই মানুষ, শুধু অভিজ্ঞতা একটু বেশি, হাসিটা একটু গভীর, কান্নাটা একটু চুপচাপ, আর নিজেকে ভালোবাসাটা আগের চেয়ে অনেক বেশি।’

নিজের জীবনযাত্রার পরিবর্তনকে দারুণ এক উপমায় তুলে ধরে অভিনেত্রী বলেন, ‘কুড়িতে ছিলাম কুঁড়ি, ত্রিশে হয়েছি নদী, আর চল্লিশে এসে বুঝেছি, আমি আসলে সমুদ্র। আমার ঢেউ আছে, আমার গভীরতা আছে, আমার ঝড় আছে, আর আছে নিজের মতো বাঁচার সাহস।’

সমাজে নারীদের বয়স বাড়লেই ‘বুড়ি’ তকমা দেওয়ার প্রবণতারও কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি। তার ভাষায়, বয়স বাড়া কোনো অপরাধ নয়। প্রকৃত অন্যায় হলো, একজন নারীর বয়স দেখে তার স্বপ্ন, প্রাণশক্তি ও রঙিন মনকে আগেভাগেই অবসরে পাঠিয়ে দেওয়া।

অপরাজিতার এই বক্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তার সাহসী অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে মধ্যবয়সী নারীরা তার লেখাকে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক বার্তা হিসেবে দেখছেন।

পোস্টের শেষাংশে অভিনেত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে লিখেছেন, ‘আমি বুড়ি নই, আমি পরিণত। আমি শেষ নই, আমি পূর্ণ। আর যদি লাল শাড়ি পরে, ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়ে, হেসে একটা ছবি তুলি, তাহলে জেনে রেখো, আমি বুড়ি হইনি, আমি জীবনটাকে উদযাপন করছি। কারণ নারী বুড়ি হয় না, নারী শুধু প্রতি বছর আরও একটু গল্প হয়ে ওঠে।’

অপরাজিতা আঢ্যের এই বার্তা যেন মনে করিয়ে দেয়, বয়স নয়, আত্মবিশ্বাস আর জীবনকে ভালোবাসার মানসিকতাই একজন মানুষকে সত্যিকারের সুন্দর করে তোলে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ