কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলাকে কেন্দ্র করে নির্মাণাধীন চলচ্চিত্র ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’ নিয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। এই বিতর্কের মধ্যেই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় ছয় তলা একটি আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি গত ১৬ জুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়। এরপর থেকেই নতুন ভবনে সালমান ও তার পরিবারের স্থানান্তর নিয়ে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে অভিনেতা কিংবা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, নতুন ভবনটি বান্দ্রার চিম্বাই এলাকায় নির্মিত হবে। এটি সালমান খানের বর্তমান বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের খুব কাছেই অবস্থিত। নতুন জমিটি তার মা সালমা খানের নামে কেনা হয়েছে।
এদিকে নতুন বাড়ির প্রস্তুতির পাশাপাশি ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’ চলচ্চিত্রের মুক্তি ও প্রচারণা বন্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সালমান খান।
অভিনেতার অভিযোগ, তার অনুমতি ছাড়াই সিনেমাটিতে ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনা এবং গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিরোধের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। তার আইনজীবীদের দাবি, এতে সালমান খানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও প্রচারণাসংক্রান্ত অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে এবং চলচ্চিত্রটির প্রচার তার সুনামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
চলচ্চিত্রটির নির্মাতারা এটিকে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনাপ্রবাহ থেকে অনুপ্রাণিত একটি অননুমোদিত ক্রাইম-থ্রিলার হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
উল্লেখ্য, রাজস্থানে ‘হাম সাথ-সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং চলাকালে সালমান খানের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে। এরপর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে বিষ্ণোই সম্প্রদায় কৃষ্ণসার হরিণকে পবিত্র প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করায় বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
চলমান বিতর্কের প্রভাব পড়েছে চলচ্চিত্রটির ওপরও। ইতোমধ্যে সোনু মিশ্রসহ কয়েকজন অভিনেতা ‘কালা হিরণ’ প্রকল্প থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
সূত্র: সামা টিভি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলাকে কেন্দ্র করে নির্মাণাধীন চলচ্চিত্র ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’ নিয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। এই বিতর্কের মধ্যেই মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় ছয় তলা একটি আবাসিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি গত ১৬ জুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়। এরপর থেকেই নতুন ভবনে সালমান ও তার পরিবারের স্থানান্তর নিয়ে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে অভিনেতা কিংবা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, নতুন ভবনটি বান্দ্রার চিম্বাই এলাকায় নির্মিত হবে। এটি সালমান খানের বর্তমান বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের খুব কাছেই অবস্থিত। নতুন জমিটি তার মা সালমা খানের নামে কেনা হয়েছে।
এদিকে নতুন বাড়ির প্রস্তুতির পাশাপাশি ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লেগাসি’ চলচ্চিত্রের মুক্তি ও প্রচারণা বন্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সালমান খান।
অভিনেতার অভিযোগ, তার অনুমতি ছাড়াই সিনেমাটিতে ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনা এবং গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিরোধের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। তার আইনজীবীদের দাবি, এতে সালমান খানের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও প্রচারণাসংক্রান্ত অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে এবং চলচ্চিত্রটির প্রচার তার সুনামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
চলচ্চিত্রটির নির্মাতারা এটিকে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনাপ্রবাহ থেকে অনুপ্রাণিত একটি অননুমোদিত ক্রাইম-থ্রিলার হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।
উল্লেখ্য, রাজস্থানে ‘হাম সাথ-সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং চলাকালে সালমান খানের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে। এরপর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে বিষ্ণোই সম্প্রদায় কৃষ্ণসার হরিণকে পবিত্র প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করায় বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
চলমান বিতর্কের প্রভাব পড়েছে চলচ্চিত্রটির ওপরও। ইতোমধ্যে সোনু মিশ্রসহ কয়েকজন অভিনেতা ‘কালা হিরণ’ প্রকল্প থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন।
সূত্র: সামা টিভি।

আপনার মতামত লিখুন