দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত প্রশমনে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক নিরাপত্তা চুক্তির মাত্র একদিন পরই আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ লেবানন। শনিবার (২৭ জুন) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত এলাকা নাবাতিহতে একটি ইসরাইলি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ।
চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চালানো এই হামলা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যকার সদ্য গড়ে ওঠা আস্থার পরিবেশকে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, নাবাতিহ আল-ফাওকা এলাকার ব্যস্ত মোড় ‘ফারাহ অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ইন্টারসেকশন’ লক্ষ্য করে ড্রোনটি হামলা চালায়। বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করতে শুরু করেন।
তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি এবং কোনো প্রাণহানির খবরও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় চরম ভীতি তৈরি হয়।
গত কয়েক মাস ধরে লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই রকেট ও বিমান হামলা বিনিময় হচ্ছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, যেকোনো সময় তা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারত।
এই প্রেক্ষাপটে সীমান্তে উত্তেজনা কমানো এবং একটি বাফার জোন গঠনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগে শুক্রবার (২৬ জুন) উভয় পক্ষ নিরাপত্তা সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির পরদিনই ড্রোন হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি কি ভুল বোঝাবুঝির ফল, নাকি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ—তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সূত্র: আল-জাজিরা

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত প্রশমনে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক নিরাপত্তা চুক্তির মাত্র একদিন পরই আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ লেবানন। শনিবার (২৭ জুন) দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত এলাকা নাবাতিহতে একটি ইসরাইলি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ।
চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে চালানো এই হামলা স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যকার সদ্য গড়ে ওঠা আস্থার পরিবেশকে বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, নাবাতিহ আল-ফাওকা এলাকার ব্যস্ত মোড় ‘ফারাহ অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ইন্টারসেকশন’ লক্ষ্য করে ড্রোনটি হামলা চালায়। বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি করতে শুরু করেন।
তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি এবং কোনো প্রাণহানির খবরও নিশ্চিত করা হয়নি। তবে স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় চরম ভীতি তৈরি হয়।
গত কয়েক মাস ধরে লেবানন-ইসরাইল সীমান্তে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই রকেট ও বিমান হামলা বিনিময় হচ্ছিল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, যেকোনো সময় তা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারত।
এই প্রেক্ষাপটে সীমান্তে উত্তেজনা কমানো এবং একটি বাফার জোন গঠনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগে শুক্রবার (২৬ জুন) উভয় পক্ষ নিরাপত্তা সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির পরদিনই ড্রোন হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটি কি ভুল বোঝাবুঝির ফল, নাকি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ—তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সূত্র: আল-জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন