রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ অঞ্চলে অবস্থিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানায় ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ফ্ল্যামিঙ্গো’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সফল হামলা চালানোর দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
শনিবার (২৭ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, রাতভর পরিচালিত অভিযানে কামানের গোলা এবং মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ‘টাইটান-বারিকাডি’ কারখানায় হামলা চালানো হয়। এতে কারখানাটিতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
একই সময়ে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ রাশিয়ার ভ্লাদিমির অঞ্চলের ‘ভতোরোভো’ তেল পাম্পিং স্টেশনেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। চলতি মাসে ওই স্থাপনাটিতে এটি ইউক্রেনের দ্বিতীয় হামলা। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদেশে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান লজিস্টিক হাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
দূরপাল্লার এই হামলাগুলোর বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ধারাবাহিক চাপ শেষ পর্যন্ত একটি মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার সাম্প্রতিক ব্যাপক ড্রোন ও মিসাইল হামলার জবাব হিসেবেই গত কয়েক মাসে রুশ তেল শোধনাগার, জ্বালানি অবকাঠামো এবং অস্ত্র উৎপাদন কারখানাগুলোতে ইউক্রেন হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনজুড়ে যুদ্ধ চলমান রয়েছে।
এদিকে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাফতোগাজ জানিয়েছে, গত দুই দিনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও মিসাইল হামলায় তাদের একাধিক উৎপাদন কেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের ১৫টি অঞ্চলে রাশিয়া প্রায় ১ হাজার ৪০০টি ড্রোন এবং ১৯টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে ড্রোন সহযোগিতা সম্প্রসারণকে এখন কিয়েভ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তবে এসব হামলা এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ অঞ্চলে অবস্থিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা শিল্প কারখানায় ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ফ্ল্যামিঙ্গো’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সফল হামলা চালানোর দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
শনিবার (২৭ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, রাতভর পরিচালিত অভিযানে কামানের গোলা এবং মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ‘টাইটান-বারিকাডি’ কারখানায় হামলা চালানো হয়। এতে কারখানাটিতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
একই সময়ে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ রাশিয়ার ভ্লাদিমির অঞ্চলের ‘ভতোরোভো’ তেল পাম্পিং স্টেশনেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। চলতি মাসে ওই স্থাপনাটিতে এটি ইউক্রেনের দ্বিতীয় হামলা। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদেশে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান লজিস্টিক হাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
দূরপাল্লার এই হামলাগুলোর বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ধারাবাহিক চাপ শেষ পর্যন্ত একটি মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার সাম্প্রতিক ব্যাপক ড্রোন ও মিসাইল হামলার জবাব হিসেবেই গত কয়েক মাসে রুশ তেল শোধনাগার, জ্বালানি অবকাঠামো এবং অস্ত্র উৎপাদন কারখানাগুলোতে ইউক্রেন হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনজুড়ে যুদ্ধ চলমান রয়েছে।
এদিকে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাফতোগাজ জানিয়েছে, গত দুই দিনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও মিসাইল হামলায় তাদের একাধিক উৎপাদন কেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের ১৫টি অঞ্চলে রাশিয়া প্রায় ১ হাজার ৪০০টি ড্রোন এবং ১৯টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে ড্রোন সহযোগিতা সম্প্রসারণকে এখন কিয়েভ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তবে এসব হামলা এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স

আপনার মতামত লিখুন