সাম্প্রতিক এই গ্রেপ্তার যদি সত্যিই চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হয়ে থাকে, তাহলে তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে যেকোনো কার্যকর পদক্ষেপে আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন থাকবে। তবে এই অভিযান যেন শুধু একজন বা দু’একজনকে কেন্দ্র করে সীমাবদ্ধ না থাকে। নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও সমানভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
গার্মেন্টস কারখানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করা চাঁদাবাজ, হত্যা মামলার আসামি, ঝুট ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে নিরীহ শিশুকে গুলিবিদ্ধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত সন্ত্রাসী কিংবা মাদকের স্পট পরিচালনায় সহায়তাকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
শুধু নির্দিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং অন্যদের ক্ষেত্রে নীরব থাকা হলে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। তখন বিষয়টি অপরাধ দমনের পরিবর্তে দলীয় বা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে হবে।
আমরা চাই, এই ঘটনাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাক। তাই ব্যক্তি নয়, অপরাধকে লক্ষ্য করে সব ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে সমানভাবে অভিযান পরিচালনা করা হোক।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
সাম্প্রতিক এই গ্রেপ্তার যদি সত্যিই চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হয়ে থাকে, তাহলে তা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই।
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে যেকোনো কার্যকর পদক্ষেপে আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন থাকবে। তবে এই অভিযান যেন শুধু একজন বা দু’একজনকে কেন্দ্র করে সীমাবদ্ধ না থাকে। নারায়ণগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত বিভিন্ন সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও সমানভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
গার্মেন্টস কারখানা পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করা চাঁদাবাজ, হত্যা মামলার আসামি, ঝুট ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে নিরীহ শিশুকে গুলিবিদ্ধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত সন্ত্রাসী কিংবা মাদকের স্পট পরিচালনায় সহায়তাকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
শুধু নির্দিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং অন্যদের ক্ষেত্রে নীরব থাকা হলে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। তখন বিষয়টি অপরাধ দমনের পরিবর্তে দলীয় বা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে হবে।
আমরা চাই, এই ঘটনাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাক। তাই ব্যক্তি নয়, অপরাধকে লক্ষ্য করে সব ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে সমানভাবে অভিযান পরিচালনা করা হোক।

আপনার মতামত লিখুন