যৌথভাবে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে কাজ করছে ভারত ও রাশিয়া। দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে বর্তমানে সুপারসনিক ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রকে হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ব্রহ্মস বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যার গতি শব্দের গতির প্রায় তিন গুণ বা ম্যাক ২.৮ থেকে ৩। তবে নতুন প্রজন্মের হাইপারসনিক ব্রহ্মসের গতি ম্যাক ৫-এর বেশি হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা একে আরও বিধ্বংসী ও প্রতিরোধ করা কঠিন করে তুলবে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র অত্যন্ত উচ্চগতিতে উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উড্ডয়নপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা রাখে। ফলে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো শনাক্ত ও প্রতিহত করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে।
ভারত-রাশিয়ার যৌথ প্রতিষ্ঠান ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস দীর্ঘদিন ধরে উন্নত সংস্করণের এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকল্পটি সফল হলে স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য নতুন প্রজন্মের কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে যুক্ত হবে হাইপারসনিক ব্রহ্মস।
বিশ্লেষকদের ধারণা, হাইপারসনিক ব্রহ্মস বাস্তবায়িত হলে এশিয়া অঞ্চলে সামরিক ভারসাম্য ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। একই সঙ্গে এটি ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকেও আরও শক্তিশালী করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
যৌথভাবে তৈরি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে কাজ করছে ভারত ও রাশিয়া। দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে বর্তমানে সুপারসনিক ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্রকে হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ব্রহ্মস বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যার গতি শব্দের গতির প্রায় তিন গুণ বা ম্যাক ২.৮ থেকে ৩। তবে নতুন প্রজন্মের হাইপারসনিক ব্রহ্মসের গতি ম্যাক ৫-এর বেশি হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা একে আরও বিধ্বংসী ও প্রতিরোধ করা কঠিন করে তুলবে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র অত্যন্ত উচ্চগতিতে উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি উড্ডয়নপথ পরিবর্তনের সক্ষমতা রাখে। ফলে প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলো শনাক্ত ও প্রতিহত করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে।
ভারত-রাশিয়ার যৌথ প্রতিষ্ঠান ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস দীর্ঘদিন ধরে উন্নত সংস্করণের এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রকল্পটি সফল হলে স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য নতুন প্রজন্মের কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে যুক্ত হবে হাইপারসনিক ব্রহ্মস।
বিশ্লেষকদের ধারণা, হাইপারসনিক ব্রহ্মস বাস্তবায়িত হলে এশিয়া অঞ্চলে সামরিক ভারসাম্য ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। একই সঙ্গে এটি ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকেও আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন