দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে অস্ট্রিয়া। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলটি নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে অস্ট্রিয়া। ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়া ইউরোপের দলটি শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে। প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধেও নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে স্বস্তির জয় নিশ্চিত করে তারা। বিশ্বকাপের মূল পর্বে অস্ট্রিয়ার সর্বশেষ উপস্থিতি ছিল ১৯৯৮ সালে। এরপর ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২—টানা ছয়টি আসরে জায়গা করতে ব্যর্থ হয়েছিল দলটি। অবশেষে ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচেই জয় পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত অস্ট্রিয়ান সমর্থকরা। অন্যদিকে, এটি ছিল জর্ডানের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। অভিষেক ম্যাচে হারলেও দলের লড়াকু মানসিকতা প্রশংসা কুড়িয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘জে’-তে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে অস্ট্রিয়া। একই গ্রুপে রয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া। ফলে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করতে সামনের ম্যাচগুলোতে আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে অস্ট্রিয়ানদের। বিশ্বকাপে ২৮ বছর পর ফিরে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করায় অস্ট্রিয়ার ফুটবল ইতিহাসে দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখন তাদের লক্ষ্য, এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নেওয়া।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে অস্ট্রিয়া। ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলটি নিজেদের প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে। গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে অস্ট্রিয়া। ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়া ইউরোপের দলটি শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে। প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধেও নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে স্বস্তির জয় নিশ্চিত করে তারা। বিশ্বকাপের মূল পর্বে অস্ট্রিয়ার সর্বশেষ উপস্থিতি ছিল ১৯৯৮ সালে। এরপর ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২—টানা ছয়টি আসরে জায়গা করতে ব্যর্থ হয়েছিল দলটি। অবশেষে ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচেই জয় পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত অস্ট্রিয়ান সমর্থকরা। অন্যদিকে, এটি ছিল জর্ডানের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। অভিষেক ম্যাচে হারলেও দলের লড়াকু মানসিকতা প্রশংসা কুড়িয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘জে’-তে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে অস্ট্রিয়া। একই গ্রুপে রয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া। ফলে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করতে সামনের ম্যাচগুলোতে আরও কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে অস্ট্রিয়ানদের। বিশ্বকাপে ২৮ বছর পর ফিরে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করায় অস্ট্রিয়ার ফুটবল ইতিহাসে দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখন তাদের লক্ষ্য, এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দ্বিতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নেওয়া।

আপনার মতামত লিখুন