চলতি বছরের বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পর আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্ত্রী জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন ধাপে ধাপে আয়োজন করা হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে এসব নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ জাতীয় বাজেটে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাবও চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও বাজেট নিশ্চিত করা গেলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়েই নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হতে পারে। পাশাপাশি নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনের নির্বাচনও পর্যায়ক্রমে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে এখনো কোনো নির্বাচনের চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই ভোটগ্রহণের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি জানা যাবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে এ ঘোষণার ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
চলতি বছরের বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার পর আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মন্ত্রী জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন ধাপে ধাপে আয়োজন করা হবে। আগামী এক বছরের মধ্যে এসব নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ জাতীয় বাজেটে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাবও চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও বাজেট নিশ্চিত করা গেলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়েই নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হতে পারে। পাশাপাশি নবগঠিত বগুড়া সিটি করপোরেশনসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনের নির্বাচনও পর্যায়ক্রমে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে এখনো কোনো নির্বাচনের চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই ভোটগ্রহণের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি জানা যাবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নিয়ে এ ঘোষণার ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন