ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি, অস্ট্রেলিয়ার সতর্কবার্তা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬

বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি, অস্ট্রেলিয়ার সতর্কবার্তা
ছবি : সংগৃহীত

 ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এল নিনো। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরো। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে এল নিনো পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে এল নিনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধারা পরিবর্তিত হয় এবং অনেক এলাকায় তীব্র গরম, খরা, দাবানল ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাত দেখা দেয়।

অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এটি সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হতে পারে। এর ফলে দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনোর প্রভাব আগের তুলনায় আরও তীব্র হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এল নিনোর প্রভাবও আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে। আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, তীব্র গরম এবং খরার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশেও এর প্রভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের অনিয়ম এবং কৃষিখাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি, অস্ট্রেলিয়ার সতর্কবার্তা

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

 ভয়াবহ রূপ নিতে পারে এল নিনো। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরো। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে এল নিনো পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

আবহাওয়াবিদদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে এল নিনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধারা পরিবর্তিত হয় এবং অনেক এলাকায় তীব্র গরম, খরা, দাবানল ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাত দেখা দেয়।

অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এটি সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হতে পারে। এর ফলে দেশটির পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে। এতে কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এল নিনোর প্রভাব আগের তুলনায় আরও তীব্র হতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে চরম আবহাওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এল নিনোর প্রভাবও আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে। আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, তীব্র গরম এবং খরার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশেও এর প্রভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের অনিয়ম এবং কৃষিখাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ