যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৭ সালের শুরু থেকে এই আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তিনি বলেন, শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দিতে এবং তাদের নিরাপদভাবে বড় হয়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সরকারি ঘোষণায় জানানো হয়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকতে পারে স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউব এবং এক্সসহ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে কোন প্ল্যাটফর্মগুলো পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
নতুন নীতিমালার আওতায় শিশুদের লাইভস্ট্রিমিং এবং অপরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ফিচার সীমিত করা হবে। একইসঙ্গে ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু নিরাপত্তা বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
সরকার আরও জানায়, ১৮ বছরের নিচে ব্যবহারকারীদের জন্য রাতের ব্যবহারের সীমা ও স্ক্রলিং নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও আলোচনা চলছে। পাশাপাশি এআই-ভিত্তিক রোমান্টিক বা অন্তরঙ্গ চ্যাটবট ব্যবহারে ১৮ বছর বয়সসীমা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে বয়স যাচাই প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ফেস স্ক্যান বা পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মতো পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। অফকমকে এ বিষয়ে দ্রুত গবেষণা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের মতে, এ উদ্যোগ শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াবে এবং তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
#আর ইউ এস

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্য সরকার ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৭ সালের শুরু থেকে এই আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তিনি বলেন, শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দিতে এবং তাদের নিরাপদভাবে বড় হয়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সরকারি ঘোষণায় জানানো হয়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকতে পারে স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, ইউটিউব এবং এক্সসহ জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে কোন প্ল্যাটফর্মগুলো পুরোপুরি অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
নতুন নীতিমালার আওতায় শিশুদের লাইভস্ট্রিমিং এবং অপরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ফিচার সীমিত করা হবে। একইসঙ্গে ১৭ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু নিরাপত্তা বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
সরকার আরও জানায়, ১৮ বছরের নিচে ব্যবহারকারীদের জন্য রাতের ব্যবহারের সীমা ও স্ক্রলিং নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও আলোচনা চলছে। পাশাপাশি এআই-ভিত্তিক রোমান্টিক বা অন্তরঙ্গ চ্যাটবট ব্যবহারে ১৮ বছর বয়সসীমা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে বয়স যাচাই প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ফেস স্ক্যান বা পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মতো পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। অফকমকে এ বিষয়ে দ্রুত গবেষণা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের মতে, এ উদ্যোগ শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াবে এবং তাদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
#আর ইউ এস

আপনার মতামত লিখুন