শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ব্রিটেন সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন, ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে।
সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ এবং ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্টের প্রভাব থেকে তাদের দূরে রাখা। নতুন নীতিমালার আওতায় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ১৬ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ সীমিত করা হবে এবং বয়স যাচাইয়ের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
কিয়ার স্টারমার বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই তাদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইনটি কার্যকর হলে ব্রিটেন বিশ্বের সেই দেশগুলোর কাতারে যোগ দেবে, যারা শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
শিশু-কিশোরদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ব্রিটেন সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দিয়েছেন, ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে।
সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সাইবার বুলিং প্রতিরোধ এবং ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্টের প্রভাব থেকে তাদের দূরে রাখা। নতুন নীতিমালার আওতায় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ১৬ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশ সীমিত করা হবে এবং বয়স যাচাইয়ের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
কিয়ার স্টারমার বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই তাদের নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অন্যদিকে শিশু অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইনটি কার্যকর হলে ব্রিটেন বিশ্বের সেই দেশগুলোর কাতারে যোগ দেবে, যারা শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন