ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব সাগর এলাকায় ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে সংঘটিত এ ভূমিকম্পে উপকূলীয় অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রের নিচে, ফলে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে।
ভূমিকম্পের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন দেখা দিতে পারে। তাই উপকূলীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় ফিলিপাইন বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটিতে প্রায়ই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা জনজীবনে প্রভাব ফেলে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব সাগর এলাকায় ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। সোমবার স্থানীয় সময় বিকেলে সংঘটিত এ ভূমিকম্পে উপকূলীয় অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সমুদ্রের নিচে, ফলে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে।
ভূমিকম্পের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন দেখা দিতে পারে। তাই উপকূলীয় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় ফিলিপাইন বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটিতে প্রায়ই মাঝারি থেকে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা জনজীবনে প্রভাব ফেলে।

আপনার মতামত লিখুন