ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন’ (আইওআরএ) সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ইমিগ্রেশনে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধান উপদেষ্টার পলিসি ও তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা।
জানা গেছে, সম্মেলনে অংশ নিতে দিল্লি পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো হয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আচরণকে অসম্মানজনক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে মনে করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্মেলনে অংশগ্রহণ না করে বাংলাদেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আইওআরএ সম্মেলনে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক ও কূটনীতিকদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পর বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নির্ধারিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এসেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্মানবোধের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশন’ (আইওআরএ) সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ইমিগ্রেশনে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধান উপদেষ্টার পলিসি ও তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা।
জানা গেছে, সম্মেলনে অংশ নিতে দিল্লি পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপয়েন্টে তাকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো হয়। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আচরণকে অসম্মানজনক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে মনে করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সম্মেলনে অংশগ্রহণ না করে বাংলাদেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, আইওআরএ সম্মেলনে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক ও কূটনীতিকদের অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার পর বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নির্ধারিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এসেছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে কূটনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্মানবোধের বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন