ইংলিশ চ্যানেলে রাশিয়ার তেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার আটক করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির বিশেষ বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ অভিযানে জাহাজটিতে তল্লাশি চালানো হয়। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের দাবি, ট্যাঙ্কারটি রাশিয়ার তথাকথিত ‘ছায়া নৌবহর’-এর অংশ, যা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোরে পরিচালিত এই অভিযানে রয়্যাল মেরিন কমান্ডো এবং জাতীয় অপরাধ সংস্থার কর্মকর্তারা স্মির্টোস নামের তেলবাহী ট্যাঙ্কারটিতে ওঠেন। পরে জাহাজটি ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু করা হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযানটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে পরিচালিত হয়েছে। জাহাজটির কার্যক্রম, বহন করা তেল এবং মালিকানা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ওপর চাপ বজায় রাখতে এবং ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থায়নের পথ রোধ করতে যুক্তরাজ্য দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। তার ভাষ্য, যারা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার তেল বাণিজ্যে সহযোগিতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘ছায়া নৌবহর’ বলতে এমন জাহাজগুলোকে বোঝায়, যেগুলো বিভিন্ন দেশের পতাকা ব্যবহার করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান শনাক্তকারী প্রযুক্তি বন্ধ রেখে তেল পরিবহন করে। পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে এসব জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক এই অভিযানকে রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহর’-এর বিরুদ্ধে নেওয়া অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জলপথে রাশিয়ার তেল পরিবহন কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ইংলিশ চ্যানেলে রাশিয়ার তেলবাহী একটি ট্যাঙ্কার আটক করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির বিশেষ বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার যৌথ অভিযানে জাহাজটিতে তল্লাশি চালানো হয়। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের দাবি, ট্যাঙ্কারটি রাশিয়ার তথাকথিত ‘ছায়া নৌবহর’-এর অংশ, যা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
রোববার (১৪ জুন) ভোরে পরিচালিত এই অভিযানে রয়্যাল মেরিন কমান্ডো এবং জাতীয় অপরাধ সংস্থার কর্মকর্তারা স্মির্টোস নামের তেলবাহী ট্যাঙ্কারটিতে ওঠেন। পরে জাহাজটি ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু করা হয়।
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযানটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে পরিচালিত হয়েছে। জাহাজটির কার্যক্রম, বহন করা তেল এবং মালিকানা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ওপর চাপ বজায় রাখতে এবং ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থায়নের পথ রোধ করতে যুক্তরাজ্য দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। তার ভাষ্য, যারা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার তেল বাণিজ্যে সহযোগিতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘ছায়া নৌবহর’ বলতে এমন জাহাজগুলোকে বোঝায়, যেগুলো বিভিন্ন দেশের পতাকা ব্যবহার করে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান শনাক্তকারী প্রযুক্তি বন্ধ রেখে তেল পরিবহন করে। পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে এসব জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক এই অভিযানকে রাশিয়ার ‘ছায়া নৌবহর’-এর বিরুদ্ধে নেওয়া অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক জলপথে রাশিয়ার তেল পরিবহন কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন